চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
চুয়াডাঙ্গায় জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতির অভিযোগে দর্শনা থানার বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এক উদ্যোক্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রাত ২টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রায়হান মাহমুদ (৩৫) এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম (৩০)। তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রায়হান মাহমুদ ও ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের জন্মসনদসহ বিভিন্ন অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

গত বৃহস্পতিবার বিধিবহির্ভূতভাবে জন্মনিবন্ধন করা হচ্ছে এমন অভিযোগ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্রকে জানান এক অজ্ঞাত ব্যক্তি।

অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, উপযুক্ত প্রমাণক ছাড়াই সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার মোহাম্মদ শহিদ মিয়া এবং কুমিল্লা জেলার বিল্লাল নামের দুই ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে। তাদের বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হয় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রাম।

সরেজমিন তদন্তে দেখা যায়, তারা কেউই ওই এলাকার বাসিন্দা নন এবং স্থানীয়রাও তাদের চেনেন না। গত ১২ মার্চ ও ৭ মার্চ বিধিবহির্ভূতভাবে তাদের জন্ম নিবন্ধন সম্পন্ন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে আরও একাধিক ভুয়া জন্ম নিবন্ধন তৈরির অভিযোগ রয়েছে।

বিষয়টি লিখিতভাবে জেলা প্রশাসককে জানান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

দর্শনা থানার পরিদর্শক হিমেল রানা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে।