ওয়ান্দায় পার্থক্য গড়লেন মেসিই

0
0

খেলাধুলা ডেস্ক:
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের নতুন
স্টেডিয়াম ওয়ান্দা
মেট্রোপলিটানো। এতদিন পর্যন্ত
এ ভেন্যুতে গোলহীন ছিলেন
লিওনেল মেসি আর
বার্সেলোনাও ছিল জয়হীন।
রোববার ওয়ান্দায় গোল পেলেন
মেসি। আর জয় নিয়ে ফিরলো
বার্সাও। স্প্যানিশ লা লিগায়
এদিন ১-০ গোলে অ্যাটলেটিকো
মাদ্রিদকে হারায় বার্সেলোনা।
লা লিগায় টানা ৯ বছর
অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে
অপরাজিত থাকার রেকর্ডটা
অক্ষুণ্ন রাখলো কাতালানরা।
সবশেষ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের
কাছে বার্সা হেরেছিল ২০১০
সালে। রোববার ম্যাচ শেষে
বার্সা কোচ আর্নেস্তো
ভালভার্দে সংবাদ সম্মেলনে
বলেন, ‘কঠিন ম্যাচে মেসির মতো
একজনকে পাওয়া আসলে বড়
সুবিধা।’ আর অ্যাটলেটিকোর
আর্জেন্টাইন কোচ দিয়েগো
সিমিওনে বলেন, ‘এটা ছিল
অসাধারণ এক গোল।
এমন গোলে হেরে গেলে কিছুই
বলার থাকে না। কাউন্টার
অ্যাটাকের শুরুটাতেই বিপদের
গন্ধ পেয়েছিলাম। এমন আক্রমণে
যদি মেসি-সুয়ারেজের মতো
খেলোয়াড়রা থাকে তাহলে এমনই
হয়।’
এ জয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল
মাদ্রিদকে টপকে আবারো পয়েন্ট
তালিকার শীর্ষে ওঠলো বার্সা।
টানা দুবারের চ্যাম্পিয়নদের
সংগ্রহ ১৪ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট। সমান
ম্যাচে সমান পয়েন্ট রিয়াল
মাদ্রিদেরও। তবে গোল গড়ে
পিছিয়ে আছে কোচ জিনেদিন
জিদানের দল। আর ১৫ ম্যাচে ২৬
পয়েন্ট নিয়ে অ্যাটলেটিকো
মাদ্রিদ আছে ষষ্ঠ স্থানে।
অ্যাটলেটিকোর জমাট রক্ষণের
সামনে লুইস সুয়ারেজ ও আতোয়ান
গ্রিজম্যান মোটেও সুবিধা করতে
পারছিলেন না। সাবেক ক্লাবের
বিপক্ষে ৯০ মিনিট খেলে অন-
টার্গেটে মাত্র একটি শট নেন
গ্রিজম্যান। সুয়ারেজও তাই। তবে
৮৬তম মিনিটে মেসির গোলে
অবদান রাখেন এই উরুগুইয়ান।
অ্যাটলেটিকোর অর্ধ থেকে
মেসি দৌড় শুরু করে বক্সের
সামনে থেমে পাস দেন
সুয়ারেজকে। ফিরতি পাস নিয়ে
আরেকটু দৌড়ে বক্সের বাইরে
থেকেই নিচু শটে বল জড়ান জালে।
সব প্রতিযোগিতায়
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের
বিপক্ষে এটি মেসির
ক্যারিয়ারের ৩০তম গোল। কোনো
নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষের বিপক্ষে
যা দ্বিতীয় সর্বাধিক। মেসি
সবচেয়ে বেশি ৩৭ গোল করেছেন
সেভিয়ার বিপক্ষে। চলতি
মৌসুমে লা লিগার সর্বোচ্চ
গোলদাতা করিম বেনজেমা।
রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি
স্ট্রাইকার করেছেন ১০ গোল। ৯
গোল নিয়ে তার পেছনেই মেসি।
বার্সার জয়ে গোলরক্ষক মার্ক
আন্দ্রে টার-স্টেগানের অবদান
কোনো অংশে কম নয়। প্রথমার্ধে
দুর্দান্ত দুটি সেভ করেন এই
জার্মান। অ্যাটলেটিকোর
হেরমোসের বক্সের ভেতর থেকে
করা শক্তিশালী ভলি পা দিয়ে
ঠেকিয়ে দেন তিনি। ৪১তম
মিনিটে আলভারো মোরাতার
গোলমুখী হেড ফেরান এক হাত
দিয়ে। এর আগে বারপোস্টের
কারণে আত্মঘাতি গোল হজম করা
থেকে রক্ষা পায় বার্সেলোনা।
এই বারপোস্টেরই কারণেই আবার
প্রথমার্ধে গোলবঞ্চিত হন
জেরার্ড পিকে। ম্যাচের ৭ মিনিট
বাকি থাকতে ইনজুরি নিয়ে মাঠ
ছাড়েন রক্ষণভাগের এই
খেলোয়াড়। তবে ভালভার্দে
জানিয়েছেন, পিকের চোট গুরুতর
নয়। শনিবার নিজেদের পরবর্তী
ম্যাচে মায়োর্কার মাঠে নামবে
বার্সেলোনা। এরপর চ্যাম্পিয়ন্স
লীগের গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডে
লড়বে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে।
ইতিমধ্যেই প্রতিযোগিতাটির
শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে
তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here