চুয়াডাঙ্গা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটচাঁদপুরে আগুনে পুড়ে দেড় বছরের শিশুর মৃত্যু

Padma Sangbad
৮৬

কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি।।

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরে আগুনে পুড়ে গুরুতর আহত হওয়া ১৮ মাস বয়সী কন্যা শিশু ছোয়া খাতুন মারা গেছে। প্রায় ১০ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাত ২টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ছোয়া খাতুন কোটচাঁদপুর উপজেলার কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় বেকারি শ্রমিক রাকিব হোসেনের ছোট মেয়ে।

ছোয়ার চাচা বিল্লাল হোসেন জানান, রবিবার বিকেলে ছোয়ার মা রেশমী খাতুন শোবার ঘরে কয়েল জ্বালিয়ে শিশুটিকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে পাশের বাড়িতে যান। কিছুক্ষণ পর তারা জানতে পারেন ঘরে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে এসে আগুনের মধ্য থেকে ছোয়াকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটির শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয় এবং তাদের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

পরে ছোয়ার বাবা-মা তাকে প্রথমে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। যশোরে নেওয়ার পর সেখানকার চিকিৎসকরাও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করেন। পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বসতঘরসহ ঘরের সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

আপডেট : ০৮:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

কোটচাঁদপুরে আগুনে পুড়ে দেড় বছরের শিশুর মৃত্যু

আপডেট : ০৮:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
৮৬

কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি।।

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরে আগুনে পুড়ে গুরুতর আহত হওয়া ১৮ মাস বয়সী কন্যা শিশু ছোয়া খাতুন মারা গেছে। প্রায় ১০ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাত ২টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ছোয়া খাতুন কোটচাঁদপুর উপজেলার কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় বেকারি শ্রমিক রাকিব হোসেনের ছোট মেয়ে।

ছোয়ার চাচা বিল্লাল হোসেন জানান, রবিবার বিকেলে ছোয়ার মা রেশমী খাতুন শোবার ঘরে কয়েল জ্বালিয়ে শিশুটিকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে পাশের বাড়িতে যান। কিছুক্ষণ পর তারা জানতে পারেন ঘরে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে এসে আগুনের মধ্য থেকে ছোয়াকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটির শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয় এবং তাদের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

পরে ছোয়ার বাবা-মা তাকে প্রথমে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। যশোরে নেওয়ার পর সেখানকার চিকিৎসকরাও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করেন। পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বসতঘরসহ ঘরের সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।