চুয়াডাঙ্গা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব পেল বিদেশি কোম্পানি

Padma Sangbad
৮

অনলাইন ডেস্ক।।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব পেল সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ড। ১৫ বছরের জন্য এ দায়িত্ব পেল তারা।

আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ মিলনায়তনে এ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপের আওতায় এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইসা কাজিম।

চট্টগ্রাম বন্দরের চারটি প্রধান কনটেইনার টার্মিনালের মধ্যে এনসিটি সবচেয়ে বড়। গত অর্থবছরে এই টার্মিনালের মাধ্যমে প্রায় ১৩ লাখ ৮৫ হাজার একক কনটেইনার ওঠানো-নামানো হয়েছে, যা বন্দরের মোট কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ৪৪ শতাংশ।

এনসিটি ১৫ বছরের জন্য বিদেশি অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার লক্ষ্যে রেয়াতি চুক্তির খসড়া গত ১ অক্টোবর নীতিগতভাবে অনুমোদন করে।

এর আগে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম। কমিটির নেতাদের দাবি, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে জাতীয় সম্পদ নিয়ে একতরফাভাবে চুক্তি করা হলে তা ইতিহাসে ‘কালো চুক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত হবে।

আপডেট : ০১:৪১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব পেল বিদেশি কোম্পানি

আপডেট : ০১:৪১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
৮

অনলাইন ডেস্ক।।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব পেল সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ড। ১৫ বছরের জন্য এ দায়িত্ব পেল তারা।

আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ মিলনায়তনে এ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপের আওতায় এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইসা কাজিম।

চট্টগ্রাম বন্দরের চারটি প্রধান কনটেইনার টার্মিনালের মধ্যে এনসিটি সবচেয়ে বড়। গত অর্থবছরে এই টার্মিনালের মাধ্যমে প্রায় ১৩ লাখ ৮৫ হাজার একক কনটেইনার ওঠানো-নামানো হয়েছে, যা বন্দরের মোট কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ৪৪ শতাংশ।

এনসিটি ১৫ বছরের জন্য বিদেশি অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার লক্ষ্যে রেয়াতি চুক্তির খসড়া গত ১ অক্টোবর নীতিগতভাবে অনুমোদন করে।

এর আগে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম। কমিটির নেতাদের দাবি, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে জাতীয় সম্পদ নিয়ে একতরফাভাবে চুক্তি করা হলে তা ইতিহাসে ‘কালো চুক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত হবে।