চুয়াডাঙ্গা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনায় শান্তির বার্তা: চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের তিন প্রার্থী একই মঞ্চে

Padma Sangbad
৪৫

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ সংসদীয় আসনে ব্যতিক্রমধর্মী এক রাজনৈতিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাকের পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তিনটি ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্য প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় দর্শনা মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত “শান্তি সমাবেশে” অংশ নেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা।

সমাবেশে উপস্থিত প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রুহুল আমিন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিব।

সমাবেশে বক্তারা সহিংসতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ রাজনীতি চর্চা ও চুয়াডাঙ্গার সার্বিক উন্নয়নে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, চুয়াডাঙ্গা কৃষিনির্ভর সম্ভাবনাময় জেলা হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগ অবকাঠামোতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। তিনি বলেন, নির্বাচনে যেই জয়ী হোক, চুয়াডাঙ্গার মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নির্বাচিত হলে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী রুহুল আমিন বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ শান্তি, ন্যায়বিচার ও স্থিতিশীলতা প্রত্যাশা করে। সহিংস রাজনীতি নয়, উন্নয়নমুখী ও মানবিক রাজনীতিই সময়ের দাবি। তিনি বলেন, কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প ও কর্মসংস্থান খাতে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গাকে একটি আদর্শ জেলায় রূপান্তর করা সম্ভব।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিব বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তিনি দুর্নীতিমুক্ত, নৈতিক ও মানবিক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গড়তে সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

শান্তি সমাবেশটি পরিচালনা করেন জাকের পার্টির জেলা সভাপতি আব্দুল লতিফ খান যুবরাজ ও জাকের পার্টি ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান জিয়া। তারা বলেন, এই সমাবেশের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক সহাবস্থান, শান্তি ও সৌহার্দ্যের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

অনুষ্ঠানে জাকের পার্টির নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপডেট : ১১:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

দর্শনায় শান্তির বার্তা: চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের তিন প্রার্থী একই মঞ্চে

আপডেট : ১১:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
৪৫

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ সংসদীয় আসনে ব্যতিক্রমধর্মী এক রাজনৈতিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাকের পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তিনটি ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্য প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় দর্শনা মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত “শান্তি সমাবেশে” অংশ নেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা।

সমাবেশে উপস্থিত প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রুহুল আমিন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিব।

সমাবেশে বক্তারা সহিংসতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ রাজনীতি চর্চা ও চুয়াডাঙ্গার সার্বিক উন্নয়নে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, চুয়াডাঙ্গা কৃষিনির্ভর সম্ভাবনাময় জেলা হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগ অবকাঠামোতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। তিনি বলেন, নির্বাচনে যেই জয়ী হোক, চুয়াডাঙ্গার মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নির্বাচিত হলে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী রুহুল আমিন বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ শান্তি, ন্যায়বিচার ও স্থিতিশীলতা প্রত্যাশা করে। সহিংস রাজনীতি নয়, উন্নয়নমুখী ও মানবিক রাজনীতিই সময়ের দাবি। তিনি বলেন, কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প ও কর্মসংস্থান খাতে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গাকে একটি আদর্শ জেলায় রূপান্তর করা সম্ভব।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিব বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তিনি দুর্নীতিমুক্ত, নৈতিক ও মানবিক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গড়তে সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

শান্তি সমাবেশটি পরিচালনা করেন জাকের পার্টির জেলা সভাপতি আব্দুল লতিফ খান যুবরাজ ও জাকের পার্টি ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান জিয়া। তারা বলেন, এই সমাবেশের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক সহাবস্থান, শান্তি ও সৌহার্দ্যের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

অনুষ্ঠানে জাকের পার্টির নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।