চুয়াডাঙ্গা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪ সমঝোতা স্মারক, ২ অনুদান চুক্তি ও অভিপ্রায়পত্র সই

Padma Sangbad
১৮

অবলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে দুই দেশের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক, দুটি অনুদান চুক্তি এবং একটি অভিপ্রায়পত্র সই হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে থাকা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এদিন জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজ দেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে জাপান সরকারের সামনে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছি। তারা কীভাবে আরও বিনিয়োগ করতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলাপ হয়েছে। তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত। এই বিনিয়োগে দেশের চাহিদা পূরণ হবে। মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারব।

এর আগে, চার দিনের সরকারি সফরে স্থানীয় সময় সোমবার সকাল সোয়া ৯টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সরকারপ্রধান ও তার সফরসঙ্গীরা নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। মঙ্গলবার টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কানতেই’-এ দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণা আসে।

এতে বলা হয়, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে নিতে ‘বিগ-বি’ উদ্যোগকে ‘অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগ-বি’ নামে এগিয়ে নেয়া হবে। এ উদ্যোগের আওতায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও তথ্যযোগাযোগপ্রযুক্তির অবকাঠামো উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করবে দুই দেশ। এর মাধ্যমে শিল্পের মূল্য সংযোজন ও সরবরাহব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গড়ে তোলা, বাণিজ্য ও পণ্য সরবরাহের প্রবেশদ্বার হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা এবং প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি বাড়ানো হবে।
এ জন্য চারটি ক্ষেত্রে কাজ করা হবে—যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন; প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তাসহ বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো; অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি ও নীতিমালা প্রণয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বাড়ানো এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা জোরদার করা।

আপডেট : ০৩:১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪ সমঝোতা স্মারক, ২ অনুদান চুক্তি ও অভিপ্রায়পত্র সই

আপডেট : ০৩:১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
১৮

অবলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে দুই দেশের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক, দুটি অনুদান চুক্তি এবং একটি অভিপ্রায়পত্র সই হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে থাকা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এদিন জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজ দেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে জাপান সরকারের সামনে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছি। তারা কীভাবে আরও বিনিয়োগ করতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলাপ হয়েছে। তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত। এই বিনিয়োগে দেশের চাহিদা পূরণ হবে। মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারব।

এর আগে, চার দিনের সরকারি সফরে স্থানীয় সময় সোমবার সকাল সোয়া ৯টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সরকারপ্রধান ও তার সফরসঙ্গীরা নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। মঙ্গলবার টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কানতেই’-এ দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণা আসে।

এতে বলা হয়, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে নিতে ‘বিগ-বি’ উদ্যোগকে ‘অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগ-বি’ নামে এগিয়ে নেয়া হবে। এ উদ্যোগের আওতায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও তথ্যযোগাযোগপ্রযুক্তির অবকাঠামো উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করবে দুই দেশ। এর মাধ্যমে শিল্পের মূল্য সংযোজন ও সরবরাহব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গড়ে তোলা, বাণিজ্য ও পণ্য সরবরাহের প্রবেশদ্বার হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা এবং প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি বাড়ানো হবে।
এ জন্য চারটি ক্ষেত্রে কাজ করা হবে—যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন; প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তাসহ বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো; অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি ও নীতিমালা প্রণয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বাড়ানো এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা জোরদার করা।