কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবাধিকারের জন্য বড় ঝুঁকি: জাতিসংঘ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাম্প্রতিক অগ্রগতি মানবাধিকারের জন্য ‘বড় ঝুঁকি’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তার্ক। অপব্যবহার রোধে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন ‘আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং জবাবদিহিতার জন্য হুমকি’ না হয়, তা নিশ্চিত করতে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৬০টির বেশি রাষ্ট্র আহ্বান জানায়।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুদ্ধ বাঁধাতে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের। পাশাপাশি এআই পরিচালিত ড্রোন কিংবা খুনি রোবটের ব্যবহার ভীতিজনক বলে মনে করছেন অনেকে।
ভলকার তার্ক বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাম্প্রতিক অগ্রগতির সম্ভাব্য ক্ষতিতে আমি অত্যন্ত বিরক্ত। মানুষের কাজ, মর্যাদা এবং মানবাধিকার এখন সাংঘাতিক ঝুঁকির মুখে। অপব্যবহার রোধে কার্যকরী পদ্ধতি তৈরিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের প্রতি জরুরি আহ্বান এটি।’
দৈনন্দিন জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ বেড়েছে। যেমন ইন্টারনেট সার্চে পরিবর্তন এনেছে, স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। এক বাক্যের নির্দেশনায় চ্যাটবট গোটা নিবন্ধও লিখে দিচ্ছে। আবার মানুষের প্রাইভেসি লঙ্ঘন কিংবা পক্ষপাতদুষ্ট অ্যালগরিদম নিয়েও সতর্ক করেছেন সমালোচকেরা।
তার্ক বলেন, ‘আমরা এটা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করব, আমাদের সুনির্দিষ্ট অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করব এবং নিশ্চিত করব সবকিছুর মূলে যেন মানবাধিকার থাকে।’














