চুয়াডাঙ্গা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোটগ্রহণ শেষ, কে হচ্ছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী?

Padma Sangbad
৫৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন সাবেক চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক এবং বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিস ট্রাস। তবে দুজনের মধ্যে ঋষি সুনাক এক ধাপ বেশি এগিয়ে। কেননা এ নিয়ে চতুর্থ দফার নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেলেন তিনি।

এর আগে জুলাইয়ের শুরুতে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন বরিস জনসন। এরপর শুরু হয় নতুন নেতা খোঁজার কাজ। ক্ষমতাসীন এ দলটির নতুন প্রধান নেতাই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

বরিস নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মোট আটজন কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে দলীয় ভোটে অংশ নেন। কনজারভেটিভ পার্টির সংসদ সদস্যরা এই আটজনকে বিভিন্ন ধাপে ভোট দেন। এদের মধ্যে ছয়জন বিভিন্ন ধাপ থেকে ছিটকে যান।

শেষ পর্যন্ত নেতৃত্ব পাওয়ার লড়াইয়ে টিকে গেলেন লিস ট্রাস এবং ঋষি সুনাক। তাদের দুইজনের মধ্যে একজনই হবেন প্রধানমন্ত্রী।

আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কনজারভেটিভ পার্টির সাধারণ সদস্যরা পোস্ট অফিসের মাধ্যমে তাদের ভোট দেবেন। ধারণা করা হয় কনজারভেটিভ পার্টির প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার সাধারণ সদস্য রয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

বুধবার ঋষি সুনাক, লিস ট্রাস এবং পেনি মরডান্ট এ তিনজন টিকে ছিলেন। এদিন তাদের তিনজনের ওপর ভোট হয়। এতে ঋষি সুনাক ১৩৭ ভোট পান। লিস ট্রাস পান ১১৪ ভোট। অন্যদিকে পেনি মরডান্ট পান ১০৫ ভোট। ফলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াই থেকে ছিটকে যান পেনি।

বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে কনজারভেটিভ পার্টির সাধারণ সদস্যরা ঋষি সুনাককে খুব বেশি একটা পছন্দ করেন না। তাদের কাছে প্রিয় ব্যক্তি লিস ট্রাস।

আপডেট : ১২:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

ভোটগ্রহণ শেষ, কে হচ্ছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী?

আপডেট : ১২:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২
৫৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন সাবেক চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক এবং বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিস ট্রাস। তবে দুজনের মধ্যে ঋষি সুনাক এক ধাপ বেশি এগিয়ে। কেননা এ নিয়ে চতুর্থ দফার নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেলেন তিনি।

এর আগে জুলাইয়ের শুরুতে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন বরিস জনসন। এরপর শুরু হয় নতুন নেতা খোঁজার কাজ। ক্ষমতাসীন এ দলটির নতুন প্রধান নেতাই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

বরিস নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মোট আটজন কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে দলীয় ভোটে অংশ নেন। কনজারভেটিভ পার্টির সংসদ সদস্যরা এই আটজনকে বিভিন্ন ধাপে ভোট দেন। এদের মধ্যে ছয়জন বিভিন্ন ধাপ থেকে ছিটকে যান।

শেষ পর্যন্ত নেতৃত্ব পাওয়ার লড়াইয়ে টিকে গেলেন লিস ট্রাস এবং ঋষি সুনাক। তাদের দুইজনের মধ্যে একজনই হবেন প্রধানমন্ত্রী।

আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কনজারভেটিভ পার্টির সাধারণ সদস্যরা পোস্ট অফিসের মাধ্যমে তাদের ভোট দেবেন। ধারণা করা হয় কনজারভেটিভ পার্টির প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার সাধারণ সদস্য রয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

বুধবার ঋষি সুনাক, লিস ট্রাস এবং পেনি মরডান্ট এ তিনজন টিকে ছিলেন। এদিন তাদের তিনজনের ওপর ভোট হয়। এতে ঋষি সুনাক ১৩৭ ভোট পান। লিস ট্রাস পান ১১৪ ভোট। অন্যদিকে পেনি মরডান্ট পান ১০৫ ভোট। ফলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াই থেকে ছিটকে যান পেনি।

বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে কনজারভেটিভ পার্টির সাধারণ সদস্যরা ঋষি সুনাককে খুব বেশি একটা পছন্দ করেন না। তাদের কাছে প্রিয় ব্যক্তি লিস ট্রাস।