চুয়াডাঙ্গা ১২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমবাপ্পের রেকর্ডে ফ্রান্সের উড়ন্ত শুরু

Padma Sangbad
১৫

স্পোর্টস ডেস্ক।।

এমবাপ্পের রেকর্ডে ফ্রান্সের উড়ন্ত শুরু
প্রথমার্ধে ছিল হতাশা, দ্বিতীয়ার্ধে ছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নসুলভ জবাব। বিরতির পর দুর্দান্ত ফুটবল খেলেই ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স। জোড়া গোল করে ফ্রান্সের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও গড়েছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। সবমিলিয়ে ফ্রান্সের জার্সি গায়ে এই তারকার গোলসংখ্যা এখন ৫৮।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে প্রথম ৪৫ মিনিটে ছন্দহীন ছিল দিদিয়ের দেশমের দল। এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিসে ও দেজিরে দুয়ে—চার তারকাই বারবার নিচে নেমে বল নিতে বাধ্য হচ্ছিলেন। আক্রমণে ধার ছিল না। পুরো প্রথমার্ধে ফ্রান্সের কাটল যেন গুটিয়ে যাওয়া ফুটবল খেলে।

অন্যদিকে সেনেগালই ছিল বেশি বিপজ্জনক। নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লাগে, ইসমাইলা সারও বিরতির আগে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। সেই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পারার মাশুলই দিতে হয়েছে আফ্রিকার দলটিকে।

দ্বিতীয়ার্ধে কৌশল বদলান দেশম। অলিসেকে মাঝমাঠে এনে দেম্বেলেকে উইংয়ে পাঠাতেই পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। অলিসের নিখুঁত থ্রু-পাস থেকে এমবাপ্পে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন।

এরপর বেঞ্চ থেকে নেমে ব্যবধান বাড়ান ব্র্যাডলি বারকোলা। অতিরিক্ত সময়ে ইব্রাহিম এমবায়ে একটি গোল শোধ করলেও শেষ কথা বলেন এমবাপ্পেই। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি।
এই জোড়া গোলে ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন এমবাপ্পে।
প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ, দ্বিতীয়ার্ধে অপ্রতিরোধ্য—ফ্রান্স যেন এক ম্যাচেই দেখাল তাদের দুই রূপ। তবে শেষ ৪৫ মিনিটের ফুটবলই জানিয়ে দিল, এবারের বিশ্বকাপে শিরোপার অন্যতম বড় দাবিদার কেন তারা।

আপডেট : ০৯:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

এমবাপ্পের রেকর্ডে ফ্রান্সের উড়ন্ত শুরু

আপডেট : ০৯:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
১৫

স্পোর্টস ডেস্ক।।

এমবাপ্পের রেকর্ডে ফ্রান্সের উড়ন্ত শুরু
প্রথমার্ধে ছিল হতাশা, দ্বিতীয়ার্ধে ছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নসুলভ জবাব। বিরতির পর দুর্দান্ত ফুটবল খেলেই ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স। জোড়া গোল করে ফ্রান্সের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও গড়েছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। সবমিলিয়ে ফ্রান্সের জার্সি গায়ে এই তারকার গোলসংখ্যা এখন ৫৮।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে প্রথম ৪৫ মিনিটে ছন্দহীন ছিল দিদিয়ের দেশমের দল। এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিসে ও দেজিরে দুয়ে—চার তারকাই বারবার নিচে নেমে বল নিতে বাধ্য হচ্ছিলেন। আক্রমণে ধার ছিল না। পুরো প্রথমার্ধে ফ্রান্সের কাটল যেন গুটিয়ে যাওয়া ফুটবল খেলে।

অন্যদিকে সেনেগালই ছিল বেশি বিপজ্জনক। নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লাগে, ইসমাইলা সারও বিরতির আগে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। সেই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পারার মাশুলই দিতে হয়েছে আফ্রিকার দলটিকে।

দ্বিতীয়ার্ধে কৌশল বদলান দেশম। অলিসেকে মাঝমাঠে এনে দেম্বেলেকে উইংয়ে পাঠাতেই পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। অলিসের নিখুঁত থ্রু-পাস থেকে এমবাপ্পে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন।

এরপর বেঞ্চ থেকে নেমে ব্যবধান বাড়ান ব্র্যাডলি বারকোলা। অতিরিক্ত সময়ে ইব্রাহিম এমবায়ে একটি গোল শোধ করলেও শেষ কথা বলেন এমবাপ্পেই। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি।
এই জোড়া গোলে ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন এমবাপ্পে।
প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ, দ্বিতীয়ার্ধে অপ্রতিরোধ্য—ফ্রান্স যেন এক ম্যাচেই দেখাল তাদের দুই রূপ। তবে শেষ ৪৫ মিনিটের ফুটবলই জানিয়ে দিল, এবারের বিশ্বকাপে শিরোপার অন্যতম বড় দাবিদার কেন তারা।