চুয়াডাঙ্গা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে মাঠে কর্মরত কৃষকের মৃত্যু

Padma Sangbad
৫৩

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের ছোটশলুয়া গ্রামে বজ্রপাতে শের আলী (৪৫) নামে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ছোটশলুয়া বোরিং মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও শের আলী ধানক্ষেতে কৃষিকাজ করছিলেন। হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে প্রচণ্ড বজ্রপাত তার ওপর আঘাত হানে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন। আশপাশের কৃষক ও স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শের আলী ছোটশলুয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এই আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার মানবিক সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার মৃত্যুতে পরিবার ও গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী জানান, বর্ষা মৌসুমে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তারা কৃষকদের আবহাওয়া সম্পর্কে সতর্ক থেকে প্রয়োজন ছাড়া খোলা মাঠে না থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

আপডেট : ০২:১৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে মাঠে কর্মরত কৃষকের মৃত্যু

আপডেট : ০২:১৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
৫৩

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের ছোটশলুয়া গ্রামে বজ্রপাতে শের আলী (৪৫) নামে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ছোটশলুয়া বোরিং মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও শের আলী ধানক্ষেতে কৃষিকাজ করছিলেন। হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে প্রচণ্ড বজ্রপাত তার ওপর আঘাত হানে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন। আশপাশের কৃষক ও স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শের আলী ছোটশলুয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এই আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার মানবিক সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার মৃত্যুতে পরিবার ও গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী জানান, বর্ষা মৌসুমে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তারা কৃষকদের আবহাওয়া সম্পর্কে সতর্ক থেকে প্রয়োজন ছাড়া খোলা মাঠে না থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।