চুয়াডাঙ্গা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনায় কবি আবু সুফিয়ানের ইন্তেকাল, শোকাহত সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গন

Padma Sangbad
১৪

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।
দর্শনা সিডিএল ও গণ উন্নয়ন গ্রন্থাগারের পরিচালক ও বিশিষ্ট কবি আবু সুফিয়ান ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুত্রবার দুপুর ১২টার পর দর্শনা মোবারকপাড়ায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

কবি আবু সুফিয়ান গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার মৃত সিকন্দর আলীর ছেলে। কর্মজীবনে তিনি দর্শনাকে কেন্দ্র করেই সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজন রেখে গেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে দর্শনার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং গণমানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তাঁর প্রতিবাদী কবিতা, ঝাঁঝালো বক্তব্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন সাহসী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত করে তোলে। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি গণসচেতনতা সৃষ্টিতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বাদ এশা দর্শনা মোবারকপাড়া গোরস্থান মাঠে জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

কবি আবু সুফিয়ানের মৃত্যুতে দর্শনার সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।।

আপডেট : ০৪:০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

দর্শনায় কবি আবু সুফিয়ানের ইন্তেকাল, শোকাহত সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গন

আপডেট : ০৪:০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
১৪

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।
দর্শনা সিডিএল ও গণ উন্নয়ন গ্রন্থাগারের পরিচালক ও বিশিষ্ট কবি আবু সুফিয়ান ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুত্রবার দুপুর ১২টার পর দর্শনা মোবারকপাড়ায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

কবি আবু সুফিয়ান গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার মৃত সিকন্দর আলীর ছেলে। কর্মজীবনে তিনি দর্শনাকে কেন্দ্র করেই সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজন রেখে গেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে দর্শনার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং গণমানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তাঁর প্রতিবাদী কবিতা, ঝাঁঝালো বক্তব্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন সাহসী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত করে তোলে। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি গণসচেতনতা সৃষ্টিতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বাদ এশা দর্শনা মোবারকপাড়া গোরস্থান মাঠে জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

কবি আবু সুফিয়ানের মৃত্যুতে দর্শনার সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।।