চুয়াডাঙ্গা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় তাঁতি দল নেতা হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা

Padma Sangbad
১২

খুলনা প্রতিনিধি:

খুলনা মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনের তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হিল ক্যান্টিন’-এ এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ুন কবির সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। তিনি রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাসাতেই বসবাস করতেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় হুমায়ুন কবির তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর চড়াও হয় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তার সহযোগীদের দায়ী করেছেন নিহতের স্বজন সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লব। তাঁর অভিযোগ, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি কুপিয়ে হুমায়ুন কবিরকে হত্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিহতের পরিবার ও স্বজনেরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

আপডেট : ১০:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

খুলনায় তাঁতি দল নেতা হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট : ১০:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
১২

খুলনা প্রতিনিধি:

খুলনা মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনের তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হিল ক্যান্টিন’-এ এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ুন কবির সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। তিনি রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাসাতেই বসবাস করতেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় হুমায়ুন কবির তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর চড়াও হয় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তার সহযোগীদের দায়ী করেছেন নিহতের স্বজন সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লব। তাঁর অভিযোগ, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি কুপিয়ে হুমায়ুন কবিরকে হত্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিহতের পরিবার ও স্বজনেরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।