চুয়াডাঙ্গা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫০ বছরের তাওহিদুর এবার জবির ভর্তি পরীক্ষায়

Padma Sangbad
৩৮

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন নওগাঁর মো. তাওহিদুর রহমান তাকু (৫০)।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের চতুর্থ তলার মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ৪১৮ নম্বর কক্ষে পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। শিক্ষার যে কোনো বয়স নেই সেটাই প্রমাণ করলেন তিনি।

পরীক্ষা শুরুর আগে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার তীব্র বাসনা নিয়েই একের পর এক ভর্তিপরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে যাচ্ছি। আমি আমার চেষ্টা অব্যাহত রাখব।

তিনি আরও বলেন, আমি ১৯৮৯ সালে অসুস্থ হয়ে পড়ি। তারপর দীর্ঘদিন অসুস্থতার মধ্যেই কাটাতে হয়েছে আমাকে। এখনও পুরোপুরি সুস্থ হতে পারিনি। ২০১৪/১৫ সাল নাগাদ মোটামুটি সুস্থ হলে আমি আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাই। সুস্থ হওয়ার পর আমি ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু পরে আর দিতে পারিনি। পরে ২০১৯ সালে থেকে আবার পড়াশোনা শুরু করি। ভর্তি পরীক্ষার কাগজগুলো আমি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তুলেছি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, আজ কলা অনুষদে এ রকমের একজন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে আমি শুনেছি। তিনি গতকালও পরীক্ষা দিয়েছেন। তার এ চেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কোনো অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন নাকি তা আমরা খতিয়ে দেখব।

তিনি এনায়েতপুর দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল ও গইরা তেঁতুলদিয়া দাখিল মাদরাসা নঁওগা থেকে আলিম পাস করেছেন।

আপডেট : ১২:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

৫০ বছরের তাওহিদুর এবার জবির ভর্তি পরীক্ষায়

আপডেট : ১২:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
৩৮

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন নওগাঁর মো. তাওহিদুর রহমান তাকু (৫০)।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের চতুর্থ তলার মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ৪১৮ নম্বর কক্ষে পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। শিক্ষার যে কোনো বয়স নেই সেটাই প্রমাণ করলেন তিনি।

পরীক্ষা শুরুর আগে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার তীব্র বাসনা নিয়েই একের পর এক ভর্তিপরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে যাচ্ছি। আমি আমার চেষ্টা অব্যাহত রাখব।

তিনি আরও বলেন, আমি ১৯৮৯ সালে অসুস্থ হয়ে পড়ি। তারপর দীর্ঘদিন অসুস্থতার মধ্যেই কাটাতে হয়েছে আমাকে। এখনও পুরোপুরি সুস্থ হতে পারিনি। ২০১৪/১৫ সাল নাগাদ মোটামুটি সুস্থ হলে আমি আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাই। সুস্থ হওয়ার পর আমি ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু পরে আর দিতে পারিনি। পরে ২০১৯ সালে থেকে আবার পড়াশোনা শুরু করি। ভর্তি পরীক্ষার কাগজগুলো আমি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তুলেছি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, আজ কলা অনুষদে এ রকমের একজন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে আমি শুনেছি। তিনি গতকালও পরীক্ষা দিয়েছেন। তার এ চেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কোনো অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন নাকি তা আমরা খতিয়ে দেখব।

তিনি এনায়েতপুর দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল ও গইরা তেঁতুলদিয়া দাখিল মাদরাসা নঁওগা থেকে আলিম পাস করেছেন।