চুয়াডাঙ্গা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাইতলায় দুই বাড়িতে হামলা, ছয়জন আহত : আদালতে দুটি মামলা

Padma Sangbad
১৪৭

যশোর সংবাদদাতা।।

যশোর সদর উপজেলার দাইতলা গ্রামে একই রাতে দুটি বাড়িতে পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে ছয়জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করার অভিযোগে সাতজনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার আহত হানিফ ও জুয়েলের স্ত্রী মিনা খাতুন বাদী হয়ে আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগ দুটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করতে কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্তরা সকলেই দাইতলা গ্রামের বাসিন্দা, মনিরুল, হাসান, হাসিব, কাদের, তৌহিদুল ইসলাম, তীর্থ ও অপু।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, হানিফের বন্ধু জুয়েলের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সেই শত্রুতার জের ধরে গত ৪ এপ্রিল রাতে আসামিরা প্রথমে হানিফের বাড়িতে ঢুকে জুয়েলকে খুঁজতে থাকে। হানিফ বাধা দিতে গেলে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পুত্রকে বাঁচাতে এগিয়ে আসা তার মা আবিরনও হামলাকারীদের হাতে জখম হন।

এরপর আসামিরা সরাসরি জুয়েলের বাড়িতে হামলা চালায়। জুয়েলকে না পেয়ে তারা তার স্ত্রী মিনা খাতুন এবং মাত্র দুই বছর বয়সী মেয়ে মারিয়াকে কুপিয়ে জখম করে। স্বজনদের বাঁচাতে এগিয়ে আসা আনোয়ারা ও জামিলা বেগমও একই পরিণতির শিকার হন। প্রতিবেশীদের চিৎকার শুনে ছুটে আসার পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আপডেট : ১১:২০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

দাইতলায় দুই বাড়িতে হামলা, ছয়জন আহত : আদালতে দুটি মামলা

আপডেট : ১১:২০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
১৪৭

যশোর সংবাদদাতা।।

যশোর সদর উপজেলার দাইতলা গ্রামে একই রাতে দুটি বাড়িতে পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে ছয়জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করার অভিযোগে সাতজনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার আহত হানিফ ও জুয়েলের স্ত্রী মিনা খাতুন বাদী হয়ে আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগ দুটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করতে কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্তরা সকলেই দাইতলা গ্রামের বাসিন্দা, মনিরুল, হাসান, হাসিব, কাদের, তৌহিদুল ইসলাম, তীর্থ ও অপু।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, হানিফের বন্ধু জুয়েলের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সেই শত্রুতার জের ধরে গত ৪ এপ্রিল রাতে আসামিরা প্রথমে হানিফের বাড়িতে ঢুকে জুয়েলকে খুঁজতে থাকে। হানিফ বাধা দিতে গেলে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পুত্রকে বাঁচাতে এগিয়ে আসা তার মা আবিরনও হামলাকারীদের হাতে জখম হন।

এরপর আসামিরা সরাসরি জুয়েলের বাড়িতে হামলা চালায়। জুয়েলকে না পেয়ে তারা তার স্ত্রী মিনা খাতুন এবং মাত্র দুই বছর বয়সী মেয়ে মারিয়াকে কুপিয়ে জখম করে। স্বজনদের বাঁচাতে এগিয়ে আসা আনোয়ারা ও জামিলা বেগমও একই পরিণতির শিকার হন। প্রতিবেশীদের চিৎকার শুনে ছুটে আসার পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।