৪ তারিখ দুপুর ১টার মধ্যেই দিদি টাটা বাই বাই’—বাংলার ভোট নিয়ে বড় ভবিষ্যদ্বাণী অমিত সাহ-র
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"remove":1,"beautify":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

অনলাইন ডেস্ক :
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ আরও বাড়িয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহ ভোট প্রচারে এসে তিনি সরাসরি আক্রমণ করেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি -কে। এমনকি ভোট গণনার দিন কখন নাগাদ সরকারের পতন নিশ্চিত হবে, সেই সময়সীমাও উল্লেখ করেন তিনি।
উত্তর ২৪ পরগনার দমদম উত্তরের একটি নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ দাবি করেন, আসন্ন নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন দুপুরের মধ্যেই বাংলায় সরকার পরিবর্তন হয়ে যাবে। তাঁর মতে, গণনার শুরু থেকেই তৃণমূলের ভরাডুবির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে এবং বিকেলের আগেই মমতা ব্যানার্জি -র সরকারের বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে।
গণনার দিনের সম্ভাব্য সময়সূচী তুলে ধরে শাহ বলেন, সকাল ৮টায় ব্যালট বক্স খোলা হবে, ৯টার মধ্যে প্রথম রাউন্ড এবং ১০টার মধ্যে দ্বিতীয় রাউন্ডের গণনা সম্পন্ন হবে। এরপর ধীরে ধীরে চিত্র পরিষ্কার হতে থাকবে এবং দুপুর ১টার আগেই ফলাফল একপ্রকার নির্ধারিত হয়ে যাবে। তাঁর কথায়, “দুপুর ১টা বাজতে না বাজতেই ‘দিদি টাটা বাই বাই’ হয়ে যাবেন।”
এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। শাহ তাঁর বক্তব্যে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিজেপির জয়ের দাবি করেন।
এদিকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে রাজ্য দুর্নীতিতে জর্জরিত হয়ে পড়েছে, শিল্প ও বিনিয়োগ কমে গেছে এবং সাধারণ মানুষ ‘সিন্ডিকেট ট্যাক্স’-এর চাপে অতিষ্ঠ। আইনশৃঙ্খলার অবনতিও তিনি তাঁর আক্রমণের অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৫ তারিখের পর থেকেই রাজ্যে সিন্ডিকেট রাজের অবসান ঘটবে এবং এই চক্র বাংলায় টিকতে পারবে না।
বক্তব্যের শেষভাগে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও সমালোচনা করেন অমিত শাহ । তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি মূলত পরিবারতন্ত্র কায়েম রাখতেই বেশি মনোযোগী এবং তাঁর প্রধান লক্ষ্য নিজের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কে ভবিষ্যতের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করা।
নির্বাচনের প্রথম দফার ঠিক আগে এমন সময়ভিত্তিক ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: নিউজ এইটিন



















