চুয়াডাঙ্গা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তনু হত্যা মামলায় এক দশক পর প্রথম গ্রেপ্তার, তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

Padma Sangbad
১১৩

অনলাইন ডেস্ক।।

দীর্ঘ দশ বছরের অপেক্ষার পর অবশেষে আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তার বাসস্থান থেকে আটক করেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হকের আদালতে উপস্থিত করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার ইতিহাসে দেখা যায়, গত এক দশকে চারটি ভিন্ন সংস্থার সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা এই মামলার দায়িত্ব পালন করেছেন। শুনানির জন্য অন্তত ৮০টি তারিখ নির্ধারিত হলেও দীর্ঘ সময় ধরে মূল আসামি শনাক্তে কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে সম্প্রতি তদন্তে নতুন গতি আসে। গত ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার অনুমতি আদালতের কাছে চাওয়া হয়। সেই অনুমতি পাওয়ার পরেই তদন্তকারী দল গ্রেপ্তারের পদক্ষেপ নেয়।

গ্রেপ্তারের দিন বিকেল পাঁচটার দিকে তনুর বাবা-মা ও ছোট ভাই রুবেল হোসেনসহ পরিবারের সদস্যরা কুমিল্লা আদালতে হাজির হন। বছরের পর বছর ন্যায়বিচারের প্রতীক্ষায় থাকা পরিবারটি এদিন স্পষ্টতই আবেগাপ্লুত ছিল। বর্তমানে আদালতে তাদের জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

দীর্ঘ অচলাবস্থার পর এই গ্রেপ্তারকে মামলার মোড় ঘোরানোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন নাগরিকরা। তদন্তসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রিমান্ডে পাওয়া তথ্য এবং ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল একত্রে বিশ্লেষণ করা গেলে এই বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডের পেছনের সত্য বেরিয়ে আসবে।

আপডেট : ০১:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

তনু হত্যা মামলায় এক দশক পর প্রথম গ্রেপ্তার, তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট : ০১:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
১১৩

অনলাইন ডেস্ক।।

দীর্ঘ দশ বছরের অপেক্ষার পর অবশেষে আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তার বাসস্থান থেকে আটক করেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হকের আদালতে উপস্থিত করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার ইতিহাসে দেখা যায়, গত এক দশকে চারটি ভিন্ন সংস্থার সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা এই মামলার দায়িত্ব পালন করেছেন। শুনানির জন্য অন্তত ৮০টি তারিখ নির্ধারিত হলেও দীর্ঘ সময় ধরে মূল আসামি শনাক্তে কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে সম্প্রতি তদন্তে নতুন গতি আসে। গত ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার অনুমতি আদালতের কাছে চাওয়া হয়। সেই অনুমতি পাওয়ার পরেই তদন্তকারী দল গ্রেপ্তারের পদক্ষেপ নেয়।

গ্রেপ্তারের দিন বিকেল পাঁচটার দিকে তনুর বাবা-মা ও ছোট ভাই রুবেল হোসেনসহ পরিবারের সদস্যরা কুমিল্লা আদালতে হাজির হন। বছরের পর বছর ন্যায়বিচারের প্রতীক্ষায় থাকা পরিবারটি এদিন স্পষ্টতই আবেগাপ্লুত ছিল। বর্তমানে আদালতে তাদের জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

দীর্ঘ অচলাবস্থার পর এই গ্রেপ্তারকে মামলার মোড় ঘোরানোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন নাগরিকরা। তদন্তসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রিমান্ডে পাওয়া তথ্য এবং ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল একত্রে বিশ্লেষণ করা গেলে এই বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডের পেছনের সত্য বেরিয়ে আসবে।