চুয়াডাঙ্গা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরিণাকুণ্ডুতে পাখিভ্যান উল্টে মুরগী বিক্রেতার মৃত্যু

Padma Sangbad
২৮

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাদিখালি রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা মুরগী বিক্রেতা আলমগীর হোসেন (৩৫) পাখিভ্যান উল্টে মৃত্যু বরণ করেছে।

জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নিজেই ভ্যান চালিয়ে গ্রামে গ্রামে মুরগির বাচ্চা বিক্রি করতেন। কিন্তু আজ সকালে সেই ভ্যানই কেড়ে নিল তার প্রাণ।

‎স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ‎সকালে মুরগির বাচ্চা কেনার উদ্দেশ্যে ঝিনাইদহের দিকে রওনা দিয়ে ভালকি বাজারের পাশে পৌছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তার ভ্যানটি উল্টে যায়। এ সময় তিনি ভ্যানের নিচেই পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার করা হলে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ‎

‎তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েছে। ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারানো আলমগীর নিজেই ছিলেন পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। তার ঘরে রয়েছে ৭ বছর বয়সী একটি ছেলে এবং সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, তার স্ত্রী বর্তমানে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অনাগত সন্তানটি পৃথিবীর আলো দেখার আগেই বাবাকে হারালো।

‎‎পরিবারের এমন চরম অসহায় অবস্থায় স্থানীয় এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। আলমগীরের অকাল প্রস্থান পরিবারের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে দাঁড়ালো ।

‎‎পিতা ও মাতা হারান আলমগীর ছোট বেলায় আপন চাচীর কাছে বড় হয়েছিলেন, ‎নিজেও এতিম ছিলেন তার সন্তানগুলো এতিম হয়ে গেল আজ।

আপডেট : ০১:০২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

হরিণাকুণ্ডুতে পাখিভ্যান উল্টে মুরগী বিক্রেতার মৃত্যু

আপডেট : ০১:০২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
২৮

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাদিখালি রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা মুরগী বিক্রেতা আলমগীর হোসেন (৩৫) পাখিভ্যান উল্টে মৃত্যু বরণ করেছে।

জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নিজেই ভ্যান চালিয়ে গ্রামে গ্রামে মুরগির বাচ্চা বিক্রি করতেন। কিন্তু আজ সকালে সেই ভ্যানই কেড়ে নিল তার প্রাণ।

‎স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ‎সকালে মুরগির বাচ্চা কেনার উদ্দেশ্যে ঝিনাইদহের দিকে রওনা দিয়ে ভালকি বাজারের পাশে পৌছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তার ভ্যানটি উল্টে যায়। এ সময় তিনি ভ্যানের নিচেই পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার করা হলে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ‎

‎তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েছে। ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারানো আলমগীর নিজেই ছিলেন পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। তার ঘরে রয়েছে ৭ বছর বয়সী একটি ছেলে এবং সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, তার স্ত্রী বর্তমানে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অনাগত সন্তানটি পৃথিবীর আলো দেখার আগেই বাবাকে হারালো।

‎‎পরিবারের এমন চরম অসহায় অবস্থায় স্থানীয় এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। আলমগীরের অকাল প্রস্থান পরিবারের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে দাঁড়ালো ।

‎‎পিতা ও মাতা হারান আলমগীর ছোট বেলায় আপন চাচীর কাছে বড় হয়েছিলেন, ‎নিজেও এতিম ছিলেন তার সন্তানগুলো এতিম হয়ে গেল আজ।