চুয়াডাঙ্গা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে মহিলা মেম্বরের ঘর বানিজ্য

Padma Sangbad
১৫০

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
বালি কেলেংকারির পর এবার ভূমিহীনদের ঘর বরাদ্দের নামে টাকা গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের মহিলা সদস্য পারুলা বেগমের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ওয়ার্ড জুড়ে হৈ চৈ পড়ে গেছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে গত ২১ শে রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর জমি ভরাটের জন্য রাখা সরকারী বালি পারুলা বেগম বাড়ি নিয়ে যান। এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম শাহিনের হস্তক্ষেপে সেই বালি উদ্ধার হয়। বালি সরানোর রেশ কাটতে না কটতে সরকারি ঘর দেওয়ার নামে অসহায় মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পারুলার বিরুদ্ধে। রামচন্দ্র পুর জেলে পাড়ার হতদরিদ্র খোয়াজ আলীর স্ত্রী রাবেয়া খাতুন অভিযোগ করেন, সরকারি ঘর দেওয়ার নাম করে পারুলা মেম্বার ৫ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু এখনো ঘর পায়নি। একই এলাকার হত দরিদ্র বৃদ্ধ দম্পতি সামেদ আলীর স্ত্রী সালেহা বেগম বলেন, আমি ৫ হাজার টাকা দিয়ে মহিলা মেম্বার পারুলার কাছে ঘরের আবেদন করেছি। এখন সে টাকাও দিচ্ছেনা ঘরও দিচ্ছেনা। রামচন্দ্রপুর পুর ইদগাহ পাড়ার দিনমুজুর আব্দুর রহিমের স্ত্রী সালমা খাতুন ও মৃত আনছার আলীর স্ত্রী হাসিয়া বেগম একই অভিযোগ করেন। এলাকাবাসি জানান, সরকারি ঘর বরাদ্দ থেকে শুরু করে বয়স্ক বিধবা প্রতিবন্ধী ভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের সরকারি সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন পারুলা বেগম। কিন্তু কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে পারুলা মেম্বার বলেন, আমি ধানে সার দিতে ৫ হাজার টাকা নিয়েছি। ঘর দিচ্ছি মিষ্টি খেতে তো কিছু টাকা লাগে ? বিষয়টি চেপে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। হলিধানী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বলেন, এর আগে পারুলা সরকারি বালি নিয়ে যায়। প্রচার মাধ্যমে খবর বের হলে উপজেলা প্রশাসন উদ্ধার করে। এখন শুনছি ঘর দেওয়ার নামে করেও পারুলা টাকা নিয়েছে। এগুলো মেনে নেওয়া যায় না। তদন্ত করে উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নিক। হলিধানী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শওকত আলী বলেন, ঘরের ব্যাপারে যদি তিনি টাকা নিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই তার শাস্তি হওয়া উচিত। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম শাহিন বলেন, কেও লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারন সরকারি ঘর বরাদ্দে কোন টাকা লাগেনা। যদি তিনি টাকা নিয়ে থাকেন তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপডেট : ১১:১৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ এপ্রিল ২০২১

ঝিনাইদহে মহিলা মেম্বরের ঘর বানিজ্য

আপডেট : ১১:১৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ এপ্রিল ২০২১
১৫০

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
বালি কেলেংকারির পর এবার ভূমিহীনদের ঘর বরাদ্দের নামে টাকা গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের মহিলা সদস্য পারুলা বেগমের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ওয়ার্ড জুড়ে হৈ চৈ পড়ে গেছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে গত ২১ শে রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর জমি ভরাটের জন্য রাখা সরকারী বালি পারুলা বেগম বাড়ি নিয়ে যান। এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম শাহিনের হস্তক্ষেপে সেই বালি উদ্ধার হয়। বালি সরানোর রেশ কাটতে না কটতে সরকারি ঘর দেওয়ার নামে অসহায় মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পারুলার বিরুদ্ধে। রামচন্দ্র পুর জেলে পাড়ার হতদরিদ্র খোয়াজ আলীর স্ত্রী রাবেয়া খাতুন অভিযোগ করেন, সরকারি ঘর দেওয়ার নাম করে পারুলা মেম্বার ৫ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু এখনো ঘর পায়নি। একই এলাকার হত দরিদ্র বৃদ্ধ দম্পতি সামেদ আলীর স্ত্রী সালেহা বেগম বলেন, আমি ৫ হাজার টাকা দিয়ে মহিলা মেম্বার পারুলার কাছে ঘরের আবেদন করেছি। এখন সে টাকাও দিচ্ছেনা ঘরও দিচ্ছেনা। রামচন্দ্রপুর পুর ইদগাহ পাড়ার দিনমুজুর আব্দুর রহিমের স্ত্রী সালমা খাতুন ও মৃত আনছার আলীর স্ত্রী হাসিয়া বেগম একই অভিযোগ করেন। এলাকাবাসি জানান, সরকারি ঘর বরাদ্দ থেকে শুরু করে বয়স্ক বিধবা প্রতিবন্ধী ভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের সরকারি সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন পারুলা বেগম। কিন্তু কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে পারুলা মেম্বার বলেন, আমি ধানে সার দিতে ৫ হাজার টাকা নিয়েছি। ঘর দিচ্ছি মিষ্টি খেতে তো কিছু টাকা লাগে ? বিষয়টি চেপে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। হলিধানী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বলেন, এর আগে পারুলা সরকারি বালি নিয়ে যায়। প্রচার মাধ্যমে খবর বের হলে উপজেলা প্রশাসন উদ্ধার করে। এখন শুনছি ঘর দেওয়ার নামে করেও পারুলা টাকা নিয়েছে। এগুলো মেনে নেওয়া যায় না। তদন্ত করে উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নিক। হলিধানী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শওকত আলী বলেন, ঘরের ব্যাপারে যদি তিনি টাকা নিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই তার শাস্তি হওয়া উচিত। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম শাহিন বলেন, কেও লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারন সরকারি ঘর বরাদ্দে কোন টাকা লাগেনা। যদি তিনি টাকা নিয়ে থাকেন তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।