চুয়াডাঙ্গা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উন্নয়ন বঞ্চনার ১৩টি অভিযোগ উল্লেখ করে চুয়াডাঙ্গা জেলা নাগরিক কমিটির স্মারকলিপি প্রদান ২৬ এপ্রিল মানববন্ধনের ঘোষণা

Padma Sangbad
৬৭

স্টাফ রিপোর্টার।।
উন্নয়ন বঞ্চনার ১৩টি অভিযোগ তুলে চুয়াডাঙ্গা জেলা নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গতাকল বুধবার দুপুর ৩টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কমিটির নেতৃবৃন্দ এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান, মো. তৌহিদ হোসেন, অধ্যক্ষ শাহাজাহান আলী বিশ্বাস, আহাদ আলী মোল্লা, মো. সাহাবুদ্দীন, মো. লাবলুর রহমান, মোহা. শাফায়েতুল ইসলাম, আছির উদ্দীন, অ্যাডভোকেট কাইজার জোয়ার্দ্দার, শেখ সেলিমসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, মহান মুক্তিযুদ্ধের সুতিকাগার হিসেবে পরিচিত চুয়াডাঙ্গা এখনো কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। জেলার আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় এবং নাগরিকরা বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। এসব সমস্যা সমাধানে ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
দাবিগুলো হলো—
১। চুয়াডাঙ্গা শহরের ওভার পাস নামক নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। (যা ২০২৪ সালে জুন মাসে নির্মান কাজটি সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল)।
২। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ২৫০ বেড চালু করে দালাল নির্ভর স্বাস্থ্য সেবা চালুকরণের বিপরীতে চিকিৎসক সেবিকা এবং কর্মকতা কর্মচারীবৃন্দকে চাকরী বিধি অনুযায়ী রোগী সেবার নৈতিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। এবং ডায়াগনস্টিক ব্যবসার সাথে জড়িত চিকিৎসক স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মচারীদের বিরূদ্ধে আইনী ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩। বিদ্যুৎ বিভাগের গ্রাহক হয়রানী, দুর্নীতি এবং মিটার ভাড়ার নামে গ্রাহকদের নিকট থেকে অবৈধ টাকা আদায় বন্ধসহ বিভাগীয় লাইন ম্যানদের বিদ্যুৎ সংযোগের নামে ঘুষ বানিজ্য বন্ধ করতে হবে।
৪। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণ খ্যাত মাথাভাঙ্গা নদী দখল ও দূষণ রোধ, অবাধ নদী প্রবাহ রক্ষা, নদীর সিমানা নির্ধারন, মাথাভাঙ্গা ভৈরব আপার ব্যারেজ নির্মান করতে হবে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানির বর্জ নদীতে ফেলা বন্ধ করার জন্য প্রতিষ্ঠান দ্বয়কে আগামী ৩ মাসের মধ্যে তাদের প্রতিষ্ঠানের বর্জ ফেলার আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর জনস্বাস্থ্য কল্যাণী ড্রাম পুকুর খনন করতে হবে।
৫। শহরের ফুটপাত দখল প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী দপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং জেলা পশুপালন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অবৈধ ফুল বাগান উচ্ছেদ করে আগামী ৭ দিনের মধ্যে পথচারীদের চলাচলের জন্য সকল ফুটপাত দখল মুক্ত করতে হবে।
৬। চুয়াডাঙ্গা জেলার বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত দর্শনা থানার আন্তর্জাতিক স্থল বন্দর ও রেল বন্দরকে অবিলম্বে চালুকরণের পদক্ষেপ নিতে হবে।
৭। চুয়াডাঙ্গা জেলার অর্থকরী ফসল পান চাষিদের কল্যাণে পান গবেষণা ইনিস্টিটিউট, মাটি গবেষণা ইনিস্টিটিউট ও এলাকার চাষিদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষনের জন্য সরকারী ব্যায়ে কোল্ড স্টোরেজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
৮। জনগণ ও শিক্ষার্থীদের অবাধ চলাচল ও জেলা মডেল মসজিদের মুজুলীদের নামাজ আদায় ও শিক্ষার্থীদের ইসলামী ফাউন্ডেশনে লাইব্রেরীতে অধ্যায়ন করে ইসলামী শিক্ষা সাংস্কৃতির বিকাশের জন্য সিএস, এসএ ও আরএস ম্যাপে থাকা রাস্তাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবৈধ দখল মুক্ত করে জনগনের অবাধ চলাচল করতে দিতে হবে।
৯। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম স্বাক্ষী জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর লাল বিল্ডিং যা (দক্ষিন পশ্চিম রনাঙ্গনের দপ্তর) কে স্বাধীনতা ভবন ঘোষনা এবং উক্ত ভবনে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যাদুঘর করতে হবে।
১০। চুয়াডাঙ্গা জেলায় সকল ধরণের চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, অবৈধ দখলদারীত্ব জুলুম নিযার্তন হয়রানী কারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে মানবিক চুয়াডাঙ্গা গড়তে আইন শৃংখলার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
১১। চুয়াডাঙ্গা জেলার একমাত্র জ্ঞানের প্রদীপ খ্যাত শত বছরের ঐতিহ্যের আবীর মাখা আবুল হোসেন স্মৃতি সাধারণ গণ গ্রন্থাগার ও সাবেক মহকুমা প্রশাসকের নামের শ্রীমন্ত টাউন হল চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার অবৈধ অধিনে থাকা লাইব্রেরী ও শ্রীমন্ত টাউন হল মুক্ত করে নির্বাচিত কমিটির কাছে আগামী ১ মাসের মধ্যে হস্থান্তর করতে হবে।
১২। চুয়াডাঙ্গার দীর্ঘদিনের দাবী বাইপাস সড়ক নির্মাণে আশু পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।
১৩। চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর উপজেলার দত্তনগর কৃষি ফার্মে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ দিনের দাবী বাস্তবায়নে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উন্নত ও মানবিক চুয়াডাঙ্গা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক শেখ সেলিম জানান, উত্থাপিত দাবিসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ২৬ এপ্রিল রোববার সকাল ৯টায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি দলমত নির্বিশেষে জেলার সর্বস্তরের নাগরিককে ওই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

আপডেট : ১০:৩১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

উন্নয়ন বঞ্চনার ১৩টি অভিযোগ উল্লেখ করে চুয়াডাঙ্গা জেলা নাগরিক কমিটির স্মারকলিপি প্রদান ২৬ এপ্রিল মানববন্ধনের ঘোষণা

আপডেট : ১০:৩১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
৬৭

স্টাফ রিপোর্টার।।
উন্নয়ন বঞ্চনার ১৩টি অভিযোগ তুলে চুয়াডাঙ্গা জেলা নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গতাকল বুধবার দুপুর ৩টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কমিটির নেতৃবৃন্দ এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান, মো. তৌহিদ হোসেন, অধ্যক্ষ শাহাজাহান আলী বিশ্বাস, আহাদ আলী মোল্লা, মো. সাহাবুদ্দীন, মো. লাবলুর রহমান, মোহা. শাফায়েতুল ইসলাম, আছির উদ্দীন, অ্যাডভোকেট কাইজার জোয়ার্দ্দার, শেখ সেলিমসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, মহান মুক্তিযুদ্ধের সুতিকাগার হিসেবে পরিচিত চুয়াডাঙ্গা এখনো কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। জেলার আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় এবং নাগরিকরা বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। এসব সমস্যা সমাধানে ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
দাবিগুলো হলো—
১। চুয়াডাঙ্গা শহরের ওভার পাস নামক নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। (যা ২০২৪ সালে জুন মাসে নির্মান কাজটি সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল)।
২। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ২৫০ বেড চালু করে দালাল নির্ভর স্বাস্থ্য সেবা চালুকরণের বিপরীতে চিকিৎসক সেবিকা এবং কর্মকতা কর্মচারীবৃন্দকে চাকরী বিধি অনুযায়ী রোগী সেবার নৈতিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। এবং ডায়াগনস্টিক ব্যবসার সাথে জড়িত চিকিৎসক স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মচারীদের বিরূদ্ধে আইনী ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩। বিদ্যুৎ বিভাগের গ্রাহক হয়রানী, দুর্নীতি এবং মিটার ভাড়ার নামে গ্রাহকদের নিকট থেকে অবৈধ টাকা আদায় বন্ধসহ বিভাগীয় লাইন ম্যানদের বিদ্যুৎ সংযোগের নামে ঘুষ বানিজ্য বন্ধ করতে হবে।
৪। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণ খ্যাত মাথাভাঙ্গা নদী দখল ও দূষণ রোধ, অবাধ নদী প্রবাহ রক্ষা, নদীর সিমানা নির্ধারন, মাথাভাঙ্গা ভৈরব আপার ব্যারেজ নির্মান করতে হবে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানির বর্জ নদীতে ফেলা বন্ধ করার জন্য প্রতিষ্ঠান দ্বয়কে আগামী ৩ মাসের মধ্যে তাদের প্রতিষ্ঠানের বর্জ ফেলার আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর জনস্বাস্থ্য কল্যাণী ড্রাম পুকুর খনন করতে হবে।
৫। শহরের ফুটপাত দখল প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী দপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং জেলা পশুপালন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অবৈধ ফুল বাগান উচ্ছেদ করে আগামী ৭ দিনের মধ্যে পথচারীদের চলাচলের জন্য সকল ফুটপাত দখল মুক্ত করতে হবে।
৬। চুয়াডাঙ্গা জেলার বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত দর্শনা থানার আন্তর্জাতিক স্থল বন্দর ও রেল বন্দরকে অবিলম্বে চালুকরণের পদক্ষেপ নিতে হবে।
৭। চুয়াডাঙ্গা জেলার অর্থকরী ফসল পান চাষিদের কল্যাণে পান গবেষণা ইনিস্টিটিউট, মাটি গবেষণা ইনিস্টিটিউট ও এলাকার চাষিদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষনের জন্য সরকারী ব্যায়ে কোল্ড স্টোরেজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
৮। জনগণ ও শিক্ষার্থীদের অবাধ চলাচল ও জেলা মডেল মসজিদের মুজুলীদের নামাজ আদায় ও শিক্ষার্থীদের ইসলামী ফাউন্ডেশনে লাইব্রেরীতে অধ্যায়ন করে ইসলামী শিক্ষা সাংস্কৃতির বিকাশের জন্য সিএস, এসএ ও আরএস ম্যাপে থাকা রাস্তাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবৈধ দখল মুক্ত করে জনগনের অবাধ চলাচল করতে দিতে হবে।
৯। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম স্বাক্ষী জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর লাল বিল্ডিং যা (দক্ষিন পশ্চিম রনাঙ্গনের দপ্তর) কে স্বাধীনতা ভবন ঘোষনা এবং উক্ত ভবনে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যাদুঘর করতে হবে।
১০। চুয়াডাঙ্গা জেলায় সকল ধরণের চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, অবৈধ দখলদারীত্ব জুলুম নিযার্তন হয়রানী কারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে মানবিক চুয়াডাঙ্গা গড়তে আইন শৃংখলার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
১১। চুয়াডাঙ্গা জেলার একমাত্র জ্ঞানের প্রদীপ খ্যাত শত বছরের ঐতিহ্যের আবীর মাখা আবুল হোসেন স্মৃতি সাধারণ গণ গ্রন্থাগার ও সাবেক মহকুমা প্রশাসকের নামের শ্রীমন্ত টাউন হল চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার অবৈধ অধিনে থাকা লাইব্রেরী ও শ্রীমন্ত টাউন হল মুক্ত করে নির্বাচিত কমিটির কাছে আগামী ১ মাসের মধ্যে হস্থান্তর করতে হবে।
১২। চুয়াডাঙ্গার দীর্ঘদিনের দাবী বাইপাস সড়ক নির্মাণে আশু পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।
১৩। চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর উপজেলার দত্তনগর কৃষি ফার্মে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ দিনের দাবী বাস্তবায়নে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উন্নত ও মানবিক চুয়াডাঙ্গা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক শেখ সেলিম জানান, উত্থাপিত দাবিসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ২৬ এপ্রিল রোববার সকাল ৯টায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি দলমত নির্বিশেষে জেলার সর্বস্তরের নাগরিককে ওই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।