চুয়াডাঙ্গা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটচাঁদপুরে ড্রাগন চাষের কারণে ক্ষতির মুখে ধানি জমি

Padma Sangbad
৮১

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি।।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় ব্যাপক হারে ড্রাগন চাষের কারণে ধানি জমিসহ অন্য ফসলাদি চাষের জমি কমে যাচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় এ অঞ্চলের চাষিরা ড্রাগন চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে ড্রাগন চাষ। বিভিন্ন গ্রামে ধানি ও অন্য ফসলাদির জমি পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

এমনকি ফলদ ও কাঠজাতীয় বাগান কেটেও ড্রাগন চাষ করা হচ্ছে। শুরু হয়েছে ড্রাগন চাষের প্রতিযোগিতা।
এসব জমিতে আগে ধান-বাদাম-ভুট্টাসহ সবজির আবাদ করা হতো। এসব ফসলের আবাদ খরচ ঠিকমতো না ওঠার কারণেই ড্রাগন চাষ করছেন বলে জানান ড্রাগন চাষিরা।

এলাকায় ব্যাপক ড্রাগন চাষ হওয়ায় কোটচাঁদপুর শহরে ড্রাগন হাট চালু হয়েছে।
কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিবুল ইসলাম বলেন, কোটচাঁদপুরেও ড্রাগন চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে কোটচাঁদপুরে ৩০০ হেক্টরের বেশি ড্রাগন চাষ হচ্ছে। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, ধানি জমিসহ ফলদ ও বনজ সম্পদ ধ্বংস করে ড্রাগন চাষ করছেন চাষিরা। ড্রাগন চাষে তাঁরা লাভবান হচ্ছেন বেশি। যে কারণে অন্যান্য চাষে আগ্রহ কম।।

আপডেট : ০৫:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪

কোটচাঁদপুরে ড্রাগন চাষের কারণে ক্ষতির মুখে ধানি জমি

আপডেট : ০৫:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪
৮১

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি।।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় ব্যাপক হারে ড্রাগন চাষের কারণে ধানি জমিসহ অন্য ফসলাদি চাষের জমি কমে যাচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় এ অঞ্চলের চাষিরা ড্রাগন চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে ড্রাগন চাষ। বিভিন্ন গ্রামে ধানি ও অন্য ফসলাদির জমি পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

এমনকি ফলদ ও কাঠজাতীয় বাগান কেটেও ড্রাগন চাষ করা হচ্ছে। শুরু হয়েছে ড্রাগন চাষের প্রতিযোগিতা।
এসব জমিতে আগে ধান-বাদাম-ভুট্টাসহ সবজির আবাদ করা হতো। এসব ফসলের আবাদ খরচ ঠিকমতো না ওঠার কারণেই ড্রাগন চাষ করছেন বলে জানান ড্রাগন চাষিরা।

এলাকায় ব্যাপক ড্রাগন চাষ হওয়ায় কোটচাঁদপুর শহরে ড্রাগন হাট চালু হয়েছে।
কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিবুল ইসলাম বলেন, কোটচাঁদপুরেও ড্রাগন চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে কোটচাঁদপুরে ৩০০ হেক্টরের বেশি ড্রাগন চাষ হচ্ছে। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, ধানি জমিসহ ফলদ ও বনজ সম্পদ ধ্বংস করে ড্রাগন চাষ করছেন চাষিরা। ড্রাগন চাষে তাঁরা লাভবান হচ্ছেন বেশি। যে কারণে অন্যান্য চাষে আগ্রহ কম।।