চুয়াডাঙ্গা ১০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরে শিশু ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Padma Sangbad
১৫৬

মেহেরপুর প্রতিনিধি।।

চকলেটের লোভ দেখিয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় আসামি রিগান হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত রিগান হোসেন মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরোঘরিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ সকালে শোলমারি গ্রামের ওই শিশু নানাবাড়ির পাশে খেলছিল। এ সময় রিগান চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে দোকানঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে আসামি পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে নানাবাড়িতে রেখে যান রিগানের মা। জ্ঞান ফিরলে শিশুটি ঘটনা জানায়। পরে তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ায় পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। বিচার চলাকালে ১৭ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন এবং আসামি নিজেই দোষ স্বীকার করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে আদালত এ দণ্ড ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী পল্লব ভট্টাচার্য ও ইব্রাহিম শাহীন।

আপডেট : ০২:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

মেহেরপুরে শিশু ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট : ০২:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
১৫৬

মেহেরপুর প্রতিনিধি।।

চকলেটের লোভ দেখিয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় আসামি রিগান হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত রিগান হোসেন মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরোঘরিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ সকালে শোলমারি গ্রামের ওই শিশু নানাবাড়ির পাশে খেলছিল। এ সময় রিগান চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে দোকানঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে আসামি পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে নানাবাড়িতে রেখে যান রিগানের মা। জ্ঞান ফিরলে শিশুটি ঘটনা জানায়। পরে তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ায় পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। বিচার চলাকালে ১৭ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন এবং আসামি নিজেই দোষ স্বীকার করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে আদালত এ দণ্ড ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী পল্লব ভট্টাচার্য ও ইব্রাহিম শাহীন।