চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে শুক্রবার উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফসহ জেলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে আগাম পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে শুক্রবার (৬ জুন)। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) দুপুরে সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা মাওলানা মুফতি আরিফ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, “আমরা কেবল সৌদি আরবের অনুসরণ করি না, বরং কোরআন-হাদিসের আলোকে চাঁদ দেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে থাকি।” আগাম ঈদ উপলক্ষে কোরবানির পশু ক্রয়সহ সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি জানান।
ঈদুল আজহার প্রথম জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে। এতে ইমামতি করবেন পীরজাদা মাওলানা মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী।
এরপর দ্বিতীয় জামায়াত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসা মাঠে, যেখানে ইমামতি করবেন মুফতি আরিফ চৌধুরী।
আরও পড়ুন…
❒ স্ত্রীকে পরকীয়ার সন্দেহ করায় শ্যালিকার হাতে দুলাভাই খুন
❒ যেসব পশু কুরবানিতে শুদ্ধ নয়
❒ বাসভাড়া বাড়তি নিলে ব্যবস্থা : সড়ক ও রেল মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
এছাড়াও হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ ও মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন মাঠে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে।
সাদ্রা দরবার শরীফে আগাম ঈদ উদযাপনের এই ধারা শুরু হয়েছিল ১৯২৮ সালে মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.)-এর হাত ধরে। তিনি সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপনের প্রথা চালু করেন, যা আজও অনুসরণ করে আসছেন তার অনুসারীরা।
চাঁদপুর ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলার অনুসারীরাও একই দিন ঈদুল আজহা উদযাপন করে থাকেন।
হাজীগঞ্জ উপজেলার: সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার: লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর।
মতলব উপজেলার: দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী।
এছাড়াও কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলাসহ চাঁদপুর জেলায় প্রায় ৫০টিরও বেশি গ্রামে ঈদুল আজহা শুক্রবার উদযাপিত হবে।




















