চুয়াডাঙ্গা ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেল

Padma Sangbad
১৪৭

চুয়াডাঙ্গায় গত দুই দিন ধরে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে। প্রখর রোদ ও অস্বাভাবিক গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ—শ্রমিক, দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালকেরা। দুপুরের পর থেকে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কমে যাচ্ছে চোখে পড়ার মতো।

শুক্রবার (৯ মে) বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের মধ্যে অন্যতম উচ্চ তাপমাত্রা। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল মাত্র ২৪ শতাংশ। এর আগের দিন, বৃহস্পতিবার, জেলায় রেকর্ডকৃত তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ওইদিন দেশের সর্বোচ্চ ছিল।

চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের রিকশাচালক হামিদুর রহমান বলেন, “গত দুই দিন ধরে গরমে অসহ্য হয়ে পড়েছি। রিকশা চালাতে গিয়ে মনে হয় দম বন্ধ হয়ে আসছে। কিছুক্ষণ চালিয়ে বিশ্রাম না নিলে শরীর চলেই না।”

স্থানীয় মুদি দোকানি আলী হোসেন জানান, “এ গরমে যেন ফ্যানের বাতাসও আর ঠান্ডা লাগে না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে ছোট শিশুরা। রাতে গরমে ঘুমাতে পারছে না, বারবার উঠে যাচ্ছে।”

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রকিবুল হাসান বলেন, “জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।”

আপডেট : ০৯:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেল

আপডেট : ০৯:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
১৪৭

চুয়াডাঙ্গায় গত দুই দিন ধরে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে। প্রখর রোদ ও অস্বাভাবিক গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ—শ্রমিক, দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালকেরা। দুপুরের পর থেকে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কমে যাচ্ছে চোখে পড়ার মতো।

শুক্রবার (৯ মে) বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের মধ্যে অন্যতম উচ্চ তাপমাত্রা। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল মাত্র ২৪ শতাংশ। এর আগের দিন, বৃহস্পতিবার, জেলায় রেকর্ডকৃত তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ওইদিন দেশের সর্বোচ্চ ছিল।

চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের রিকশাচালক হামিদুর রহমান বলেন, “গত দুই দিন ধরে গরমে অসহ্য হয়ে পড়েছি। রিকশা চালাতে গিয়ে মনে হয় দম বন্ধ হয়ে আসছে। কিছুক্ষণ চালিয়ে বিশ্রাম না নিলে শরীর চলেই না।”

স্থানীয় মুদি দোকানি আলী হোসেন জানান, “এ গরমে যেন ফ্যানের বাতাসও আর ঠান্ডা লাগে না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে ছোট শিশুরা। রাতে গরমে ঘুমাতে পারছে না, বারবার উঠে যাচ্ছে।”

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রকিবুল হাসান বলেন, “জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।”