চুয়াডাঙ্গা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলবন্দর দিয়ে ২৪ হাজার টন ভারতীয় চাল দেশে এলো

Padma Sangbad
১৭২

দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলবন্দরের মাধ্যমে বেসরকারিভাবে ২৪ হাজার ৪৮৩ টন ভারতীয় চাল আমদানি করা হয়েছে। দেশের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারি সিদ্ধান্তে চলতি বছরে ২৭ জুলাই থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ চাল আমদানি করা হয়, চলতি মাসের মধ্যেই আরো ৪ হাজার ৯০০ টন চাল প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের জানিয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানান, সরকারি সিদ্ধান্তে ও বেসরকারিভাবে ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সেতু এন্টারপ্রাইজ ও মজুমদার এগ্রোটেক ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে আগস্ট মাসে ১২ হাজার ১৩৬ দশমিক ৬৫৫ টন ও সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ পর্যন্ত ৯ হাজার ৯১২ টন চাল আমদানি করে। এ ছাড়া আলাদাভাবে মজুমদার এগ্রোটেক ইন্টারন্যাশনাল জুলাইয়ের প্রথম দিকে ২ হাজার ৪৩৪ দশমিক ৬২১ টন চাল আমদানি করে। দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলস্টেশনের সুপারিনটেন্টডেন্ট মীর লিয়াকত আলি জানান, ভারতের বিভিন্ন জেলা থেকে কেনা চাল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার গেদে বন্দর হয়ে দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলপথে বন্দরে প্রবেশ করে। দর্শনা শুল্ক বিভাগ রেলবন্দর ও উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ বিভাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমদানি করা চালের চালানগুলো খালাসের জন্য যশোরের নওয়াপাড়া ও সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, খালাসের পর ট্রাক বা অন্যান্য মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরসহ বগুড়ার সান্তাহার কেন্দ্রীয় খাদ্যগুদামে চাল পাঠানো হবে। চুয়াডাঙ্গা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এ কে এম শহিদুল হক বলেন, বেসরকারিভাবে চাল আমদানির ফলে দেশে চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে এমনকি প্রতি কেজি চালের মূল্য ৫-৬ টাকা কমেছে।।

আপডেট : ১১:০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলবন্দর দিয়ে ২৪ হাজার টন ভারতীয় চাল দেশে এলো

আপডেট : ১১:০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
১৭২

দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলবন্দরের মাধ্যমে বেসরকারিভাবে ২৪ হাজার ৪৮৩ টন ভারতীয় চাল আমদানি করা হয়েছে। দেশের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারি সিদ্ধান্তে চলতি বছরে ২৭ জুলাই থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ চাল আমদানি করা হয়, চলতি মাসের মধ্যেই আরো ৪ হাজার ৯০০ টন চাল প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের জানিয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানান, সরকারি সিদ্ধান্তে ও বেসরকারিভাবে ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সেতু এন্টারপ্রাইজ ও মজুমদার এগ্রোটেক ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে আগস্ট মাসে ১২ হাজার ১৩৬ দশমিক ৬৫৫ টন ও সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ পর্যন্ত ৯ হাজার ৯১২ টন চাল আমদানি করে। এ ছাড়া আলাদাভাবে মজুমদার এগ্রোটেক ইন্টারন্যাশনাল জুলাইয়ের প্রথম দিকে ২ হাজার ৪৩৪ দশমিক ৬২১ টন চাল আমদানি করে। দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলস্টেশনের সুপারিনটেন্টডেন্ট মীর লিয়াকত আলি জানান, ভারতের বিভিন্ন জেলা থেকে কেনা চাল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার গেদে বন্দর হয়ে দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলপথে বন্দরে প্রবেশ করে। দর্শনা শুল্ক বিভাগ রেলবন্দর ও উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ বিভাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমদানি করা চালের চালানগুলো খালাসের জন্য যশোরের নওয়াপাড়া ও সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, খালাসের পর ট্রাক বা অন্যান্য মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরসহ বগুড়ার সান্তাহার কেন্দ্রীয় খাদ্যগুদামে চাল পাঠানো হবে। চুয়াডাঙ্গা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এ কে এম শহিদুল হক বলেন, বেসরকারিভাবে চাল আমদানির ফলে দেশে চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে এমনকি প্রতি কেজি চালের মূল্য ৫-৬ টাকা কমেছে।।