চুয়াডাঙ্গা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে প্রচারণায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের ৭ নির্দেশনা

Padma Sangbad
৪১

অনলাইন ডেস্ক।।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী নির্বাচনি প্রচার শুরুর আগে নির্বাচনী পরিকল্পনা জমা দিতে বাধ্য থাকবেন এবং প্রচারে সাতটি বিশেষ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনি পরিবেশকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত রাখার জন্য আচরণ বিধিমালায় এই বিধানগুলো সংযোজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রচারণার আগে পরিকল্পনা জানালে একদিকে প্রার্থীরা সমান সুযোগ পাবেন, অন্যদিকে জনগণের চলাচল ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব হবে।

আচরণ বিধিমালা ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন করেছে। গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা কার্যকর হবে।

প্রচার ও জনসভায় মানতে হবে সাতটি প্রধান নির্দেশনা:
১. সমান অধিকার: নির্বাচনকালীন প্রচারণায় সকল প্রার্থী সমান অধিকার পাবেন। তবে একে অপরকে বাধা দেওয়া বা ভয়ভীতি সৃষ্টি করা যাবে না।
২. প্রচার পরিকল্পনা: নির্বাচন প্রচারণা শুরুর আগে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে কর্তৃপক্ষের কাছে পরিকল্পনা জমা দিতে হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩. লিখিত অনুমতি: জনসভা বা সমাবেশ আয়োজনের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং স্থানীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে।
৪. পুলিশকে অবহিত করা: জনসভা বা পথসভা আয়োজনের ২৪ ঘণ্টা আগে স্থান ও সময় পুলিশকে জানাতে হবে, যাতে তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে পারে।
৫. চলাচলে বিঘ্ন এড়িয়ে চলা: জনসভা বা সমাবেশ এমন জায়গায় করা যাবে না যেখানে জনগণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়, যেমন সড়ক বা মহাসড়ক।
৬. গোলযোগ প্রতিরোধ: যদি কেউ জনসভায় গোলযোগ সৃষ্টি করে, তবে আয়োজকরা পুলিশকে জানাবেন এবং পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।
৭. বিদেশে প্রচারণা নিষিদ্ধ: কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী বিদেশে জনসভা বা প্রচার চালাতে পারবে না।

আপডেট : ১১:৪০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

নির্বাচনে প্রচারণায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের ৭ নির্দেশনা

আপডেট : ১১:৪০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
৪১

অনলাইন ডেস্ক।।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী নির্বাচনি প্রচার শুরুর আগে নির্বাচনী পরিকল্পনা জমা দিতে বাধ্য থাকবেন এবং প্রচারে সাতটি বিশেষ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনি পরিবেশকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত রাখার জন্য আচরণ বিধিমালায় এই বিধানগুলো সংযোজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রচারণার আগে পরিকল্পনা জানালে একদিকে প্রার্থীরা সমান সুযোগ পাবেন, অন্যদিকে জনগণের চলাচল ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব হবে।

আচরণ বিধিমালা ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন করেছে। গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা কার্যকর হবে।

প্রচার ও জনসভায় মানতে হবে সাতটি প্রধান নির্দেশনা:
১. সমান অধিকার: নির্বাচনকালীন প্রচারণায় সকল প্রার্থী সমান অধিকার পাবেন। তবে একে অপরকে বাধা দেওয়া বা ভয়ভীতি সৃষ্টি করা যাবে না।
২. প্রচার পরিকল্পনা: নির্বাচন প্রচারণা শুরুর আগে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে কর্তৃপক্ষের কাছে পরিকল্পনা জমা দিতে হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩. লিখিত অনুমতি: জনসভা বা সমাবেশ আয়োজনের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং স্থানীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে।
৪. পুলিশকে অবহিত করা: জনসভা বা পথসভা আয়োজনের ২৪ ঘণ্টা আগে স্থান ও সময় পুলিশকে জানাতে হবে, যাতে তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে পারে।
৫. চলাচলে বিঘ্ন এড়িয়ে চলা: জনসভা বা সমাবেশ এমন জায়গায় করা যাবে না যেখানে জনগণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়, যেমন সড়ক বা মহাসড়ক।
৬. গোলযোগ প্রতিরোধ: যদি কেউ জনসভায় গোলযোগ সৃষ্টি করে, তবে আয়োজকরা পুলিশকে জানাবেন এবং পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।
৭. বিদেশে প্রচারণা নিষিদ্ধ: কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী বিদেশে জনসভা বা প্রচার চালাতে পারবে না।