চুয়াডাঙ্গা ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরে তাপদাহে হাসপাতালে বেড়েছে গরমজনিত রোগীর সংখ্যা

Padma Sangbad
৭৮

ঈদের ছুটিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাড়ি ফিরে আসা প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মেহেরপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে গত পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত ‘আম-দই-চিঁড়া-মিষ্টি উৎসব’ উদযাপন করেছেন।

শনিবার (১৪ জুন) প্রাণবন্ত এই মিলনমেলায় তারা পুরোনো স্মৃতি ভাগাভাগি করেন এবং আনন্দ-উৎসব করেন।

এবারের আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ ছিল মেহেরপুরের বিখ্যাত হিমসাগর আম। এই আম তার রসালো স্বাদ, গন্ধ ও মিষ্টতার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রশংসিত। সঙ্গে পরিবেশিত হয় খাঁটি দই, ভেজানো চিঁড়া, দেশি মিষ্টান্ন, পিঠা ও মৌসুমি ফল।

উৎসবে তরুণ ও প্রবীণ প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তারা একে অপরের সঙ্গে কলেজ জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “হিমসাগর আমের রসালো স্বাদ আর পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে এই আয়োজনটি আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।”
অন্য একজন তরুণ অংশগ্রহণকারী যোগ করেন, “কলেজ জীবনের বন্ধুত্ব নতুন করে জেগে উঠেছে, আর এই মিলনমেলা আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।”

আয়োজকদের মধ্যে ছিলেন স্টুডেন্ট কেয়ার একাডেমির পরিচালক মোঃ আক্তারুজ্জামান হীরা, কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং উদ্যোক্তা রাজু আহম্মেদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জজ কোর্টের পেশকার হাসানুজ্জামান মিলন, জারাফাত, নাফিউল, আল-আমিন, রোকুনুজ্জামান তুষার, নোমানসহ আরও অনেকে।

আয়োজকরা জানান, “আগামী বছর আরও বৃহৎ ও সংগঠিতভাবে এই উৎসবটি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।”

এভাবে প্রতিবারের মতো এবারও মেহেরপুর সরকারি কলেজে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা হয়ে উঠেছে একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে।

আপডেট : ১২:৪৬:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

মেহেরপুরে তাপদাহে হাসপাতালে বেড়েছে গরমজনিত রোগীর সংখ্যা

আপডেট : ১২:৪৬:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
৭৮

ঈদের ছুটিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাড়ি ফিরে আসা প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মেহেরপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে গত পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত ‘আম-দই-চিঁড়া-মিষ্টি উৎসব’ উদযাপন করেছেন।

শনিবার (১৪ জুন) প্রাণবন্ত এই মিলনমেলায় তারা পুরোনো স্মৃতি ভাগাভাগি করেন এবং আনন্দ-উৎসব করেন।

এবারের আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ ছিল মেহেরপুরের বিখ্যাত হিমসাগর আম। এই আম তার রসালো স্বাদ, গন্ধ ও মিষ্টতার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রশংসিত। সঙ্গে পরিবেশিত হয় খাঁটি দই, ভেজানো চিঁড়া, দেশি মিষ্টান্ন, পিঠা ও মৌসুমি ফল।

উৎসবে তরুণ ও প্রবীণ প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তারা একে অপরের সঙ্গে কলেজ জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “হিমসাগর আমের রসালো স্বাদ আর পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে এই আয়োজনটি আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।”
অন্য একজন তরুণ অংশগ্রহণকারী যোগ করেন, “কলেজ জীবনের বন্ধুত্ব নতুন করে জেগে উঠেছে, আর এই মিলনমেলা আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।”

আয়োজকদের মধ্যে ছিলেন স্টুডেন্ট কেয়ার একাডেমির পরিচালক মোঃ আক্তারুজ্জামান হীরা, কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং উদ্যোক্তা রাজু আহম্মেদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জজ কোর্টের পেশকার হাসানুজ্জামান মিলন, জারাফাত, নাফিউল, আল-আমিন, রোকুনুজ্জামান তুষার, নোমানসহ আরও অনেকে।

আয়োজকরা জানান, “আগামী বছর আরও বৃহৎ ও সংগঠিতভাবে এই উৎসবটি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।”

এভাবে প্রতিবারের মতো এবারও মেহেরপুর সরকারি কলেজে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা হয়ে উঠেছে একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে।