চুয়াডাঙ্গা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীলঙ্কার মতো হওয়ার কোন শঙ্কা বাংলাদেশের নেই

Padma Sangbad
১৭৪

পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার মতো হওয়ার শঙ্কা বাংলাদেশের নেই বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।

বুধবার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন রাহুল আনন্দ। এসময় তিনি এ দাবি করেন।

রাহুল আনন্দ বলেন, বাংলাদেশ কখনো ঋণখেলাপি হয়নি। মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি যেভাবে পুনরুদ্ধার হয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তা ব্যাহত হয়েছে। এতে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও দ্রুত কমে যাচ্ছে। মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে, প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে পড়েছে। যদিও এসব প্রতিকূলতা বাংলাদেশ ভালোভাবেই মোকাবিলা করেছে, কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী অবকাঠামো সংকট রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিও হুমকিতে রয়েছে। ২০৩১ সালের মধ্যে সফলভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছাতে হলে বাংলাদেশকে অতীতের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে প্রবৃদ্ধির চাকাকে আরো গতিশীল করার জন্য কাঠামোগত সমস্যাগুলোতে নজর দিতে হবে এবং সেই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ, উৎপাদন সুসংহত করা এবং জলবায়ু সহিষ্ণুতা গড়ে তুলতে হবে।

এর আগে আইএমএফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৈঠকের পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, কঠিন কোনো শর্ত ছাড়াই বাংলাদেশকে ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে আইএমএফ।

গত ২৪ জুলাই ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ চেয়ে আইএমএফকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। প্রাথমিক সম্মতি জানানোর পর শর্ত নিয়ে আলোচনার জন্য রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফ প্রতিনিধিরা ২৬ অক্টোবর ঢাকায় আসেন। গত দুই সপ্তাহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং অংশীজনদের সঙ্গে তারা ধারাবাহিক বৈঠক করেন।

আপডেট : ১১:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ নভেম্বর ২০২২

শ্রীলঙ্কার মতো হওয়ার কোন শঙ্কা বাংলাদেশের নেই

আপডেট : ১১:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ নভেম্বর ২০২২
১৭৪

পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার মতো হওয়ার শঙ্কা বাংলাদেশের নেই বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।

বুধবার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন রাহুল আনন্দ। এসময় তিনি এ দাবি করেন।

রাহুল আনন্দ বলেন, বাংলাদেশ কখনো ঋণখেলাপি হয়নি। মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি যেভাবে পুনরুদ্ধার হয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তা ব্যাহত হয়েছে। এতে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও দ্রুত কমে যাচ্ছে। মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে, প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে পড়েছে। যদিও এসব প্রতিকূলতা বাংলাদেশ ভালোভাবেই মোকাবিলা করেছে, কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী অবকাঠামো সংকট রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিও হুমকিতে রয়েছে। ২০৩১ সালের মধ্যে সফলভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছাতে হলে বাংলাদেশকে অতীতের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে প্রবৃদ্ধির চাকাকে আরো গতিশীল করার জন্য কাঠামোগত সমস্যাগুলোতে নজর দিতে হবে এবং সেই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ, উৎপাদন সুসংহত করা এবং জলবায়ু সহিষ্ণুতা গড়ে তুলতে হবে।

এর আগে আইএমএফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৈঠকের পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, কঠিন কোনো শর্ত ছাড়াই বাংলাদেশকে ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে আইএমএফ।

গত ২৪ জুলাই ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ চেয়ে আইএমএফকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। প্রাথমিক সম্মতি জানানোর পর শর্ত নিয়ে আলোচনার জন্য রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফ প্রতিনিধিরা ২৬ অক্টোবর ঢাকায় আসেন। গত দুই সপ্তাহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং অংশীজনদের সঙ্গে তারা ধারাবাহিক বৈঠক করেন।