চুয়াডাঙ্গা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্পষ্ট হাতে লেখা প্রেসক্রিপশনে রোগীদের ভোগান্তি, কম্পিউটারাইজড প্রেসক্রিপশনের দাবি জোরালো

Padma Sangbad
১৭৯

দৈনিক পদ্মা সংবাদ।

দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় চিকিৎসা গ্রহণ করতে গিয়ে নানা ধরনের ভোগান্তির মুখোমুখি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। চিকিৎসকের পরামর্শ, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যয় এবং ওষুধ সংগ্রহের জটিলতার পাশাপাশি আরেকটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেক চিকিৎসকের অস্পষ্ট হাতে লেখা প্রেসক্রিপশন।
রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, অনেক সময় চিকিৎসকের হাতের লেখা এতটাই দুর্বোধ্য হয় যে তা বুঝতে রোগী তো বটেই, অনেক ফার্মেসি কর্মীকেও হিমশিম খেতে হয়। এতে ভুল ওষুধ দেওয়ার আশঙ্কা যেমন থাকে, তেমনি রোগীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগও তৈরি হয়।
ভুক্তভোগীদের মতে, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর যুগে হাতে লেখা প্রেসক্রিপশনের পরিবর্তে কম্পিউটারে টাইপ করা বা প্রিন্ট করা প্রেসক্রিপশন চালু করা হলে এ ধরনের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে। এতে ওষুধের নাম, মাত্রা এবং সেবনবিধি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকায় রোগী, ফার্মাসিস্ট ও চিকিৎসক—সবার জন্যই সুবিধা হবে।
স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেরও মত, ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন ব্যবস্থা চালু হলে চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বাড়বে, ভুল ওষুধ প্রদানের ঝুঁকি কমবে এবং রোগীরা আরও মানসম্মত সেবা পাবেন।
সচেতন নাগরিকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ধীরে ধীরে কম্পিউটারাইজড বা ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে রোগীদের অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি কমে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও আধুনিক ও কার্যকর হয়।

আপডেট : ১২:৩৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

অস্পষ্ট হাতে লেখা প্রেসক্রিপশনে রোগীদের ভোগান্তি, কম্পিউটারাইজড প্রেসক্রিপশনের দাবি জোরালো

আপডেট : ১২:৩৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
১৭৯

দৈনিক পদ্মা সংবাদ।

দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় চিকিৎসা গ্রহণ করতে গিয়ে নানা ধরনের ভোগান্তির মুখোমুখি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। চিকিৎসকের পরামর্শ, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যয় এবং ওষুধ সংগ্রহের জটিলতার পাশাপাশি আরেকটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেক চিকিৎসকের অস্পষ্ট হাতে লেখা প্রেসক্রিপশন।
রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, অনেক সময় চিকিৎসকের হাতের লেখা এতটাই দুর্বোধ্য হয় যে তা বুঝতে রোগী তো বটেই, অনেক ফার্মেসি কর্মীকেও হিমশিম খেতে হয়। এতে ভুল ওষুধ দেওয়ার আশঙ্কা যেমন থাকে, তেমনি রোগীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগও তৈরি হয়।
ভুক্তভোগীদের মতে, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর যুগে হাতে লেখা প্রেসক্রিপশনের পরিবর্তে কম্পিউটারে টাইপ করা বা প্রিন্ট করা প্রেসক্রিপশন চালু করা হলে এ ধরনের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে। এতে ওষুধের নাম, মাত্রা এবং সেবনবিধি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকায় রোগী, ফার্মাসিস্ট ও চিকিৎসক—সবার জন্যই সুবিধা হবে।
স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেরও মত, ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন ব্যবস্থা চালু হলে চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বাড়বে, ভুল ওষুধ প্রদানের ঝুঁকি কমবে এবং রোগীরা আরও মানসম্মত সেবা পাবেন।
সচেতন নাগরিকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ধীরে ধীরে কম্পিউটারাইজড বা ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে রোগীদের অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি কমে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও আধুনিক ও কার্যকর হয়।