চুয়াডাঙ্গা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

Padma Sangbad
১৫

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝিনাইদহে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও এনসিপির বর্তমান রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, পতিত আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করতেই জামায়াত ও এনসিপি জোটবদ্ধ হয়ে চক্রান্তের রাজনীতি শুরু করেছে।তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ফেরার ঘোষণা এবং একই সময়ে জামায়াত-এনসিপির লংমার্চের কর্মসূচি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি এক গভীর চক্রান্তের অংশ। ১৯৯৬ সালের প্রেক্ষাপট মনে করিয়ে দিয়ে রাশেদ খান বলেন, সে সময় যেভাবে জামায়াত আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল, ঠিক একইভাবে আজও তারা ফ্যাসিবাদের দোসরদের রাজপথে ফেরানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত।আলোচিত ‘মক্কা সামরিক চুক্তি’ প্রসঙ্গে তিনি জানান, এনসিপি প্রধান নাহিদ ইসলাম ও জামায়াতসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল এই চুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখিয়েছে এবং দেশের বড় একটা অংশও তা সমর্থন করছে। তবে সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব, কূটনৈতিক কৌশল ও সার্বিক নিরাপত্তার দিকটি পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করে তবেই চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে। একই সাথে দীর্ঘদিন পর ডাকসু নির্বাচনে নিজের প্রাপ্য জিএস পদ ফিরে পাওয়ার প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রশাসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকারকে সম্মান জানিয়েছে।
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের আগে দলছুট ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলে ফেরা নিয়ে রাশেদ খান স্পষ্ট করেন যে, জাতীয় নির্বাচনে যেসব নেতাকর্মী ভুল বুঝে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়েছেন, অনুশোচনা প্রকাশ করলে দলীয় হাইকমান্ড তাঁদের বিষয়টি ভেবে দেখতে পারে। কিন্তু যাঁরা সরাসরি দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তাঁদের দলে ফেরানোর ব্যাপারে দল এখনো কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়নি।এর আগে জেলা বিএনপির অফিস প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া বিশাল র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহ-সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

আপডেট : ০৯:৪২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঝিনাইদহে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

আপডেট : ০৯:৪২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৫

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝিনাইদহে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও এনসিপির বর্তমান রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, পতিত আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করতেই জামায়াত ও এনসিপি জোটবদ্ধ হয়ে চক্রান্তের রাজনীতি শুরু করেছে।তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ফেরার ঘোষণা এবং একই সময়ে জামায়াত-এনসিপির লংমার্চের কর্মসূচি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি এক গভীর চক্রান্তের অংশ। ১৯৯৬ সালের প্রেক্ষাপট মনে করিয়ে দিয়ে রাশেদ খান বলেন, সে সময় যেভাবে জামায়াত আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল, ঠিক একইভাবে আজও তারা ফ্যাসিবাদের দোসরদের রাজপথে ফেরানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত।আলোচিত ‘মক্কা সামরিক চুক্তি’ প্রসঙ্গে তিনি জানান, এনসিপি প্রধান নাহিদ ইসলাম ও জামায়াতসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল এই চুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখিয়েছে এবং দেশের বড় একটা অংশও তা সমর্থন করছে। তবে সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব, কূটনৈতিক কৌশল ও সার্বিক নিরাপত্তার দিকটি পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করে তবেই চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে। একই সাথে দীর্ঘদিন পর ডাকসু নির্বাচনে নিজের প্রাপ্য জিএস পদ ফিরে পাওয়ার প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রশাসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকারকে সম্মান জানিয়েছে।
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের আগে দলছুট ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলে ফেরা নিয়ে রাশেদ খান স্পষ্ট করেন যে, জাতীয় নির্বাচনে যেসব নেতাকর্মী ভুল বুঝে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়েছেন, অনুশোচনা প্রকাশ করলে দলীয় হাইকমান্ড তাঁদের বিষয়টি ভেবে দেখতে পারে। কিন্তু যাঁরা সরাসরি দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তাঁদের দলে ফেরানোর ব্যাপারে দল এখনো কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়নি।এর আগে জেলা বিএনপির অফিস প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া বিশাল র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহ-সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।