চুয়াডাঙ্গা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুজিবনগর সীমান্তে মানবিক দৃষ্টান্ত: শূন্যরেখায় মায়ের শেষ মুখ দেখলেন মেয়ে

Padma Sangbad
২৮

মুজিবনগর প্রতিনিধি:

মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আন্তর্জাতিক প্রধান পিলারের কাছে মানবিকতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি হলো। সীমান্তের শূন্যরেখায় দাঁড়িয়ে চিরবিদায় নেওয়া মায়ের মুখ শেষবারের মতো দেখতে পেলেন বাংলাদেশে থাকা মেয়ে ও জামাতা।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) যৌথ উদ্যোগে ও সমন্বয়ে এই সুযোগ করে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার মালিয়াপোতা পোস্টের অন্তর্গত গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছা. জায়রা (৭০) বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে বসবাসরত মেয়ে হাফিজা খাতুন ও জামাই ফিকির আলী শেষ শ্রদ্ধা জানানোর আকুতি ব্যক্ত করেন।

বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হলে সীমান্তে দায়িত্বে থাকা দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝে দ্রুত যোগাযোগ করা হয়। পরে আন্তর্জাতিক ১০৯ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে মরদেহ নিয়ে আসা হয়।

নাজিরাকোনা বিওপির বিজিবি টহল কমান্ডার হাবিলদার শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্য এবং বিএসএফের ইন্সপেক্টর এস কে রায়ের নেতৃত্বে বিএসএফ সদস্যরা সেখানে উপস্থিত থেকে এই আবেগঘন সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেন।

মায়ের শেষ দর্শন শেষে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন মানবিক সহায়তার জন্য বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মরহুমার স্বজনরা। পরে ভারতীয় সীমান্তে নিজ গ্রামে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে মরহুমার দাফন সম্পন্ন হয়।

আপডেট : ১১:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

মুজিবনগর সীমান্তে মানবিক দৃষ্টান্ত: শূন্যরেখায় মায়ের শেষ মুখ দেখলেন মেয়ে

আপডেট : ১১:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
২৮

মুজিবনগর প্রতিনিধি:

মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আন্তর্জাতিক প্রধান পিলারের কাছে মানবিকতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি হলো। সীমান্তের শূন্যরেখায় দাঁড়িয়ে চিরবিদায় নেওয়া মায়ের মুখ শেষবারের মতো দেখতে পেলেন বাংলাদেশে থাকা মেয়ে ও জামাতা।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) যৌথ উদ্যোগে ও সমন্বয়ে এই সুযোগ করে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার মালিয়াপোতা পোস্টের অন্তর্গত গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছা. জায়রা (৭০) বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে বসবাসরত মেয়ে হাফিজা খাতুন ও জামাই ফিকির আলী শেষ শ্রদ্ধা জানানোর আকুতি ব্যক্ত করেন।

বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হলে সীমান্তে দায়িত্বে থাকা দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝে দ্রুত যোগাযোগ করা হয়। পরে আন্তর্জাতিক ১০৯ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে মরদেহ নিয়ে আসা হয়।

নাজিরাকোনা বিওপির বিজিবি টহল কমান্ডার হাবিলদার শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্য এবং বিএসএফের ইন্সপেক্টর এস কে রায়ের নেতৃত্বে বিএসএফ সদস্যরা সেখানে উপস্থিত থেকে এই আবেগঘন সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেন।

মায়ের শেষ দর্শন শেষে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন মানবিক সহায়তার জন্য বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মরহুমার স্বজনরা। পরে ভারতীয় সীমান্তে নিজ গ্রামে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে মরহুমার দাফন সম্পন্ন হয়।