চুয়াডাঙ্গা ০৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীকে নবর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

Padma Sangbad
৭৭

রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীকে বাংলা নবর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আগামীকাল বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার দেয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আবদুল হামিদ বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে একটি পরম আনন্দের দিন। আনন্দঘন এ দিনে আমি দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীকে জানাই বাংলা নবর্ষের শুভেচ্ছা।’
তিনি বলেন, ‘বাঙালি জাতির শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রধান অঙ্গ পহেলা বৈশাখ। নতুনের বার্তা নিয়ে বেজে উঠে বৈশাখের আগমনি বার্তা। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে ওঠে মহানন্দে। ফসলি সন হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তা আজ সমগ্র বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।’ রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা।’
তিনি বলেন, ‘বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি। বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিক চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।’
আবদুল হামিদ বলেন, ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য পরম গৌরব ও মর্যাদার।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দীদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন করেছিলেন।
আবদুল হামিদ বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং জাতীয়তাবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, নতুন বছর সকল অশুভ ও অসুন্দরের উপর সত্য ও সুন্দরের জয় এবং ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর করে সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।।

আপডেট : ০৪:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩

দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীকে নবর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট : ০৪:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩
৭৭

রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীকে বাংলা নবর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আগামীকাল বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার দেয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আবদুল হামিদ বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে একটি পরম আনন্দের দিন। আনন্দঘন এ দিনে আমি দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীকে জানাই বাংলা নবর্ষের শুভেচ্ছা।’
তিনি বলেন, ‘বাঙালি জাতির শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রধান অঙ্গ পহেলা বৈশাখ। নতুনের বার্তা নিয়ে বেজে উঠে বৈশাখের আগমনি বার্তা। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে ওঠে মহানন্দে। ফসলি সন হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তা আজ সমগ্র বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।’ রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা।’
তিনি বলেন, ‘বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি। বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিক চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।’
আবদুল হামিদ বলেন, ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য পরম গৌরব ও মর্যাদার।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দীদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন করেছিলেন।
আবদুল হামিদ বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং জাতীয়তাবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, নতুন বছর সকল অশুভ ও অসুন্দরের উপর সত্য ও সুন্দরের জয় এবং ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর করে সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।।