চুয়াডাঙ্গা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লড়াই-সংগ্রাম, উন্নয়ন-অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের নাম শেখ হাসিনা : তথ্যমন্ত্রী

Padma Sangbad
৬৮

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু একজন রাজনীতিবিদের নাম নয়, এক সংগ্রামী উপাখ্যানের নাম। লড়াই-সংগ্রাম, উন্নয়ন-অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের নাম শেখ হাসিনা। তিনি এ দেশে গণতন্ত্রের প্রতীক, আবহমান বাংলার সংস্কৃতির প্রতীক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আজ শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কৃষক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের পর বাতাসের বিপরীতে উজান ঠেলে যে নেত্রী মা-বাবা-ভাই, আত্মীয়-পরিজন সবাইকে হারিয়ে এ দেশের মানুষকে আপন করে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন, তিনি হচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।’
শেখ হাসিনাকে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’ হিসেবে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বারবার মৃত্যু উপত্যকা থেকে ফিরে এসে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বিচলিত হন নাই, দ্বিধান্বিত হন নাই। বরং দৃপ্ত পদভারে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে দেশের সংগ্রামের কাফেলাকে, মানুষের ভোট এবং ভাতের অধিকার আদায়ের কাফেলাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর মতোই জননেত্রী শেখ হাসিনাও ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন নাই। সেটি করলে ১৯৮২ সালেই তিনি ক্ষমতায় যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি মানুষের অধিকার আর দেশের অগ্রগতির জন্য রাজনীতি করেছেন।’
ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে পাখি শিকারের মতো মানুষ শিকার করে শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা হয়েছে, আমাদের ৩২ জন নেতা-কর্মী সেদিন শহীদ হয়েছিল। আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট প্রকাশ্য দিবালোকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রীকে বৃষ্টির মতো গ্রেনেড ছুঁড়ে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। কোটালীপাড়ায় ৭৬ কেজি বোমা পুঁতে তাকে হত্যার অপচেষ্টা হয়েছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বিএনপি ও ফ্রিডম পার্টির সন্ত্রাসীরা শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা চালিয়েছে, সারাদেশের পথে পথে তার ওপর বারবার হামলা করেছে। কিন্তু শেখ হাসিনা মৃত্যুঞ্জয়ী।’
কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন এবং আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি। পরে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ সবাইকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটেন ও প্রধানমন্ত্রী এবং দেশ-দশের মঙ্গল কামনায় দোয়ায় অংশ নেন।

আপডেট : ০৯:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

লড়াই-সংগ্রাম, উন্নয়ন-অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের নাম শেখ হাসিনা : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৯:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
৬৮

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু একজন রাজনীতিবিদের নাম নয়, এক সংগ্রামী উপাখ্যানের নাম। লড়াই-সংগ্রাম, উন্নয়ন-অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের নাম শেখ হাসিনা। তিনি এ দেশে গণতন্ত্রের প্রতীক, আবহমান বাংলার সংস্কৃতির প্রতীক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আজ শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কৃষক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের পর বাতাসের বিপরীতে উজান ঠেলে যে নেত্রী মা-বাবা-ভাই, আত্মীয়-পরিজন সবাইকে হারিয়ে এ দেশের মানুষকে আপন করে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন, তিনি হচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।’
শেখ হাসিনাকে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’ হিসেবে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বারবার মৃত্যু উপত্যকা থেকে ফিরে এসে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বিচলিত হন নাই, দ্বিধান্বিত হন নাই। বরং দৃপ্ত পদভারে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে দেশের সংগ্রামের কাফেলাকে, মানুষের ভোট এবং ভাতের অধিকার আদায়ের কাফেলাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর মতোই জননেত্রী শেখ হাসিনাও ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন নাই। সেটি করলে ১৯৮২ সালেই তিনি ক্ষমতায় যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি মানুষের অধিকার আর দেশের অগ্রগতির জন্য রাজনীতি করেছেন।’
ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে পাখি শিকারের মতো মানুষ শিকার করে শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা হয়েছে, আমাদের ৩২ জন নেতা-কর্মী সেদিন শহীদ হয়েছিল। আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট প্রকাশ্য দিবালোকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রীকে বৃষ্টির মতো গ্রেনেড ছুঁড়ে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। কোটালীপাড়ায় ৭৬ কেজি বোমা পুঁতে তাকে হত্যার অপচেষ্টা হয়েছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বিএনপি ও ফ্রিডম পার্টির সন্ত্রাসীরা শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা চালিয়েছে, সারাদেশের পথে পথে তার ওপর বারবার হামলা করেছে। কিন্তু শেখ হাসিনা মৃত্যুঞ্জয়ী।’
কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন এবং আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি। পরে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ সবাইকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটেন ও প্রধানমন্ত্রী এবং দেশ-দশের মঙ্গল কামনায় দোয়ায় অংশ নেন।