চুয়াডাঙ্গা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাড়ে চার লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, রুবেল-ইমা দম্পতির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

Padma Sangbad
১০৭

টাকা ফেরত চাইতে গেলে হত্যার হুমকি, বিচার চাইলেন নারী উদ্যোক্তা?।

মেহেরপুর সংবাদদাতা।।

মেহেরপুরে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন নারী উদ্যোক্তা রেহেনা খাতুন। অভিযুক্তরা হলেন মেহেরপুর শহরের পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়ার বাসিন্দা রুবেল শেখ ও তার স্ত্রী তানিশা ইয়াসমিন ইমা।

গত ১৫ এপ্রিল রেহেনা খাতুন মেহেরপুর সদর আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন (মামলা নং-৩৭৩/২০২৬)। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ৬ জুলাই আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৯ নভেম্বর ২০২৫ আসামিরা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বাদির কাছ থেকে নগদ ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা ধার নেন। ৯০ দিনের মধ্যে পরিশোধের শর্তে তিনশ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা সম্পাদন করা হয় এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক মেহেরপুর শাখার একটি চেক প্রদান করা হয়।

নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে চেক ব্যাংকে জমা দিতে গেলে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবে কোনো অর্থ নেই এবং চেকের হিসাবটিও আসামির নামে নয়। এরপর বাদি আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা নানা টালবাহানায় সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

অবশেষে সাক্ষীদের নিয়ে আসামিদের বাড়িতে গিয়ে পাওনা টাকা চাইলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে টাকা পরিশোধে অস্বীকৃতি জানান এবং পুনরায় টাকা চাইতে এলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।।

আপডেট : ০১:৫৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

সাড়ে চার লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, রুবেল-ইমা দম্পতির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

আপডেট : ০১:৫৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
১০৭

টাকা ফেরত চাইতে গেলে হত্যার হুমকি, বিচার চাইলেন নারী উদ্যোক্তা?।

মেহেরপুর সংবাদদাতা।।

মেহেরপুরে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন নারী উদ্যোক্তা রেহেনা খাতুন। অভিযুক্তরা হলেন মেহেরপুর শহরের পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়ার বাসিন্দা রুবেল শেখ ও তার স্ত্রী তানিশা ইয়াসমিন ইমা।

গত ১৫ এপ্রিল রেহেনা খাতুন মেহেরপুর সদর আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন (মামলা নং-৩৭৩/২০২৬)। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ৬ জুলাই আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৯ নভেম্বর ২০২৫ আসামিরা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বাদির কাছ থেকে নগদ ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা ধার নেন। ৯০ দিনের মধ্যে পরিশোধের শর্তে তিনশ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা সম্পাদন করা হয় এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক মেহেরপুর শাখার একটি চেক প্রদান করা হয়।

নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে চেক ব্যাংকে জমা দিতে গেলে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবে কোনো অর্থ নেই এবং চেকের হিসাবটিও আসামির নামে নয়। এরপর বাদি আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা নানা টালবাহানায় সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

অবশেষে সাক্ষীদের নিয়ে আসামিদের বাড়িতে গিয়ে পাওনা টাকা চাইলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে টাকা পরিশোধে অস্বীকৃতি জানান এবং পুনরায় টাকা চাইতে এলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।।