চুয়াডাঙ্গা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপহৃত যুবক রাফিনের মরদেহ উদ্ধার

Padma Sangbad
১৬

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
চুয়াডাঙ্গায় অপহরণের ৯ দিন পর রাফিন (২০) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ না পাওয়ায় অপহরণকারীরা তাকে হত্যা করেছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাফিন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি গ্রামের সৌদি প্রবাসী আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান চালক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খালের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল বলে জানা গেছে।

নিহতের দাদি আমেনা বেগম জানান, গত ৫ জুন সকালে রাফিন ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, ওইদিন রাত ৮টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে রাফিনকে অপহরণের কথা জানানো হয় এবং জীবিত ফেরত পেতে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে পরিবার আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করে।

স্বজনদের দাবি, অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় রাফিনের অবস্থান জানতে চাইলেও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বরং ফোনের অপর প্রান্ত থেকে মারধরের শব্দ শোনানো হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপডেট : ১২:৩৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

অপহৃত যুবক রাফিনের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ১২:৩৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
১৬

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
চুয়াডাঙ্গায় অপহরণের ৯ দিন পর রাফিন (২০) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ না পাওয়ায় অপহরণকারীরা তাকে হত্যা করেছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাফিন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি গ্রামের সৌদি প্রবাসী আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান চালক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খালের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল বলে জানা গেছে।

নিহতের দাদি আমেনা বেগম জানান, গত ৫ জুন সকালে রাফিন ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, ওইদিন রাত ৮টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে রাফিনকে অপহরণের কথা জানানো হয় এবং জীবিত ফেরত পেতে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে পরিবার আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করে।

স্বজনদের দাবি, অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় রাফিনের অবস্থান জানতে চাইলেও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বরং ফোনের অপর প্রান্ত থেকে মারধরের শব্দ শোনানো হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।