চুয়াডাঙ্গা ০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমরা কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করিনি: পলক

Padma Sangbad
২৯০

অনলাইন ডেস্ক।।

সরকারের পক্ষ থেকে ঢাকাসহ সারাদেশের কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়নি বলে দাবি করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আজ রবিবার দুপুরে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি এ দাবি করেন।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করিনি। বন্ধের কোনো নির্দেশও দিইনি। কোথাও কোথাও ইন্টারনেটের সমস্যা হচ্ছে। এটা আমাদের নির্দেশনার কারণে নয়।’

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল ও ইন্টারনেট পরিচালনার অনেক স্থাপনায় সন্ত্রাসীরা হামলা চালাচ্ছে। অনেক জায়গায় হামলা চলছে। ফাইবার ক্যাবল কেটে দেওয়া হচ্ছে। আজও আমাদের কয়েক জায়গায় আগুন দেওয়া হয়েছে। অনেক এলাকায় কেটে (ক্যাবল) ফেলা হয়েছে। এমন তাণ্ডব চালালে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সরবরাহ করাতো সম্ভব নয়।’

এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনের জেরে গত ১৭ জুলাই রাত থেকে মোবাইল ইন্টারনেট ও ১৮ জুলাই রাতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় সরকার। পাঁচ দিন পর গত ২৩ জুলাই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ সীমিত পরিসরে ফেরে। ১০ দিন পর গত ২৮ জুলাই মোবাইল ইন্টারনেট চালু হয়। তবে বন্ধ ছিল মেটার প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম। এ ছাড়া বন্ধ ছিল টিকটকও। এরপর গত ৩১ জুলাই দুপুর ২টার পর থেকে বাংলাদেশে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো চালু করা হয়।

আপডেট : ০৭:২১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪

আমরা কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করিনি: পলক

আপডেট : ০৭:২১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪
২৯০

অনলাইন ডেস্ক।।

সরকারের পক্ষ থেকে ঢাকাসহ সারাদেশের কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়নি বলে দাবি করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আজ রবিবার দুপুরে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি এ দাবি করেন।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করিনি। বন্ধের কোনো নির্দেশও দিইনি। কোথাও কোথাও ইন্টারনেটের সমস্যা হচ্ছে। এটা আমাদের নির্দেশনার কারণে নয়।’

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল ও ইন্টারনেট পরিচালনার অনেক স্থাপনায় সন্ত্রাসীরা হামলা চালাচ্ছে। অনেক জায়গায় হামলা চলছে। ফাইবার ক্যাবল কেটে দেওয়া হচ্ছে। আজও আমাদের কয়েক জায়গায় আগুন দেওয়া হয়েছে। অনেক এলাকায় কেটে (ক্যাবল) ফেলা হয়েছে। এমন তাণ্ডব চালালে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সরবরাহ করাতো সম্ভব নয়।’

এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনের জেরে গত ১৭ জুলাই রাত থেকে মোবাইল ইন্টারনেট ও ১৮ জুলাই রাতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় সরকার। পাঁচ দিন পর গত ২৩ জুলাই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ সীমিত পরিসরে ফেরে। ১০ দিন পর গত ২৮ জুলাই মোবাইল ইন্টারনেট চালু হয়। তবে বন্ধ ছিল মেটার প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম। এ ছাড়া বন্ধ ছিল টিকটকও। এরপর গত ৩১ জুলাই দুপুর ২টার পর থেকে বাংলাদেশে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো চালু করা হয়।