চুয়াডাঙ্গা ০১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটচাঁদপুরের তাসমিনা “বাঁচতে চাই”

Padma Sangbad
১৬১

মোঃ শহিদুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার জালালপুর মালোখালি পাড়া গ্রামের মৃত বাইদুল ইসলাম এর বড় কন্যা তাসমিনা। সংসারে মা এবং দুই বোন ছাড়া আর কেউ নেই বাবা ছিলেন একজন ভ্যান চালক প্রায় এক বছর আগেই মারা গেছে বাবা বাইদুল ইসলাম। তাসমিনা জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে, এবং ছোট বোন তহমিনা জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে বোনের মধ্যে তাসমিনা বড়। সংসারে উপার্জনের কোন মানুষ না থাকায় কোনরকম চলে তাদের তিন জনের সংসার। তাসমিনার বয়স যখন ৮ বছর তার বাম পাশে গালে একটি ঘামাচির মত একটি ইনফেকশন তৈরি হয়। দিনে দিনে বড় হতে থাকে বামপাশের গালটি এখন তাসমিনার বয়স ১২ বছর এখন তার মুখমন্ডল অস্বাভাবিক আকৃতি ধারণ করছে। ইতিমধ্যেই তাসমিনার মা-মেয়েকে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গেছেন। কিন্তু টাকা পয়সার অভাবে বড় ডাক্তারের কাছে এখনো পর্যন্ত মেয়েকে দেখাতে পারেননি। তবে তাসমিনার শখ অন্য আর পাঁচটা মেয়ের মতো সেও ইস্কুলে যাবে সেও সবার মত বড় হবে। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস,একটি সংসার আর সংসারে তিনজনই নারী, তাই সমাজের বিত্তবানদের কাছে তাসমিনার মায়ের আকুল আবেদন, তার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন। তাসমিনার মায়ের বিকাশ নাম্বার পার্সোনাল ০১৮৬৩৪০২৮৫৩

আপডেট : ১২:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২

কোটচাঁদপুরের তাসমিনা “বাঁচতে চাই”

আপডেট : ১২:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২
১৬১

মোঃ শহিদুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার জালালপুর মালোখালি পাড়া গ্রামের মৃত বাইদুল ইসলাম এর বড় কন্যা তাসমিনা। সংসারে মা এবং দুই বোন ছাড়া আর কেউ নেই বাবা ছিলেন একজন ভ্যান চালক প্রায় এক বছর আগেই মারা গেছে বাবা বাইদুল ইসলাম। তাসমিনা জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে, এবং ছোট বোন তহমিনা জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে বোনের মধ্যে তাসমিনা বড়। সংসারে উপার্জনের কোন মানুষ না থাকায় কোনরকম চলে তাদের তিন জনের সংসার। তাসমিনার বয়স যখন ৮ বছর তার বাম পাশে গালে একটি ঘামাচির মত একটি ইনফেকশন তৈরি হয়। দিনে দিনে বড় হতে থাকে বামপাশের গালটি এখন তাসমিনার বয়স ১২ বছর এখন তার মুখমন্ডল অস্বাভাবিক আকৃতি ধারণ করছে। ইতিমধ্যেই তাসমিনার মা-মেয়েকে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গেছেন। কিন্তু টাকা পয়সার অভাবে বড় ডাক্তারের কাছে এখনো পর্যন্ত মেয়েকে দেখাতে পারেননি। তবে তাসমিনার শখ অন্য আর পাঁচটা মেয়ের মতো সেও ইস্কুলে যাবে সেও সবার মত বড় হবে। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস,একটি সংসার আর সংসারে তিনজনই নারী, তাই সমাজের বিত্তবানদের কাছে তাসমিনার মায়ের আকুল আবেদন, তার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন। তাসমিনার মায়ের বিকাশ নাম্বার পার্সোনাল ০১৮৬৩৪০২৮৫৩