চুয়াডাঙ্গা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্বৃত্তের গুলিতে ‘লেদা পুতু’ নিহত

Padma Sangbad
৮৬

অনলাইন ডেস্ক।।
কক্সবাজারের রামুতে দূর্বৃত্তদের গুলিতে শাহীন বাহিনীর প্রধান সহযোগী শফিউল আলম ওরপে লেদা পুতু (২৮) নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে উপজেলা গর্জনিয়া ইউনিয়নে মাঝিরকাটা বেলতলী কাটা মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল আলম মাঝিরকাটা এলাকার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে এবং বর্তমানে কারাগারে আটক আলোচিত শাহীন ডাকাতের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিউল আলম ওরপে লেদা পুতু বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ চোরাচালান কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ডাকাত শাহীন যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর তার নিয়ন্ত্রিত অবৈধ কার্যক্রমের সম্পূর্ণ দায়িত্ব লেদা পুতুর হাতে ছিল। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেদা পুতুকে গুলি করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে গর্জনিয়া ফাড়ির এসআই মো. জুয়েল চৌধুরী ঘটনাস্থলে যান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত শফিউল আলমের স্বজনরা জানান, লেদা পুতু এলাকার সাহসী এক যুবক। তাকে নিজের লোক দিয়ে ডেকে নিয়ে খুব কাছ থেকে খুন করা হয়েছে। অথচ ঘটনাস্থলের অপর প্রান্তে গর্জনিয়া ফাঁড়ি পুলিশের একটি দল টহলে ছিল। ঘটনার ৫ মিনিটের মধ্যেই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। কিন্তু এর আগেই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘দুর্বৃত্তের গুলিতে শফিউল আলমের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপডেট : ১১:৪৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্বৃত্তের গুলিতে ‘লেদা পুতু’ নিহত

আপডেট : ১১:৪৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
৮৬

অনলাইন ডেস্ক।।
কক্সবাজারের রামুতে দূর্বৃত্তদের গুলিতে শাহীন বাহিনীর প্রধান সহযোগী শফিউল আলম ওরপে লেদা পুতু (২৮) নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে উপজেলা গর্জনিয়া ইউনিয়নে মাঝিরকাটা বেলতলী কাটা মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল আলম মাঝিরকাটা এলাকার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে এবং বর্তমানে কারাগারে আটক আলোচিত শাহীন ডাকাতের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিউল আলম ওরপে লেদা পুতু বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ চোরাচালান কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ডাকাত শাহীন যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর তার নিয়ন্ত্রিত অবৈধ কার্যক্রমের সম্পূর্ণ দায়িত্ব লেদা পুতুর হাতে ছিল। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেদা পুতুকে গুলি করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে গর্জনিয়া ফাড়ির এসআই মো. জুয়েল চৌধুরী ঘটনাস্থলে যান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত শফিউল আলমের স্বজনরা জানান, লেদা পুতু এলাকার সাহসী এক যুবক। তাকে নিজের লোক দিয়ে ডেকে নিয়ে খুব কাছ থেকে খুন করা হয়েছে। অথচ ঘটনাস্থলের অপর প্রান্তে গর্জনিয়া ফাঁড়ি পুলিশের একটি দল টহলে ছিল। ঘটনার ৫ মিনিটের মধ্যেই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। কিন্তু এর আগেই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘দুর্বৃত্তের গুলিতে শফিউল আলমের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’