পদ্মা তীরবর্তী জমিগুলোতে কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন: খরচের চেয়ে ১০ গুন বেশি লাভের আশা

জমিগুলো থেকে ছড়াচ্ছে মরিচের ঝাঁজালো সুবাস!
সাইফুল ইসলাম কামাল।।
সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের পদ্মা তীরবর্তী জমিগুলোতে কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটেছে । বাজারে কাঁচা মরিচের চাহিদা আর দাম বেশী থাকায় কৃষকদের মরিচ তুলে বাজারে বিক্রি করতে কোন সমস্যা পোহাতে হচ্ছে না । কৃষকরা পাইকারি বাজারেও কাঁচা মরিচ বিক্রি করে বেশ লাভবান হচ্ছেন বলে জানাগেছে । কৃষকরা জানান , এবছর পদ্মার চরে উন্নত জাতের হাইট্রা মরিচের বীজ ছিটিয়ে দিয়েছিলেন তারা । এসব মরিচ ৪৫ দিনের মধ্যে ফলন দিতে শুরু করে । এসব মরিচ গাছের চারা যখন ৮ ইঞ্চি হয় ঠিক তখন গাছগুলোতে মরিচ ধরতে শুরু করে । গাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে এসব মরিচ খরচের চেয়ে ১০ গুন গাছের ফলন বাড়তে থাকে । অল্প সময়ে অধিক ফলন আর মরিচ বিক্রি করে লাভবান হওয়ার কারণে দিন দিন পদ্মার চরে কাঁচা মরিচের আবাদ বাড়ছে বলেও জানান তারা । সরেজমিনে দেখা গেছে , পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকার জমিগুলোতে মরিচের আবাদ করা হয়েছে । এসময় অধিকাংশ মরিচ গাছগুলোতে কাঁচা মরিচের ব্যাপক ফলন চোখে পড়েছে । ছোট ছোট গাছগুলো কাঁচা মরিচের ভারে হেলে পড়ছে । এসময় অনেক কৃষকদের মরিচ তুলে বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যেতে দেখা গেছে । বিস্তীর্ণ জমিজুড়ে কাঁচা মরিচের দৃশ্য ছিলো চোখে পড়ার মতো । কৃষক জান শরীফ মোল্লা জানান , ‘ হাইট্রা জাতের এই মরিচ গাছকে আমরা ভূইট্রা জাত বলি । এই জাতের মরিচ গাছের বীজ ছিটানোর ৪৫ দিনের মধ্যে ফলন দিতে শুরু করে । এই ধরনের মরিচ গাছের বৈশিষ্ট হলো মরিচ গাছের ফলন আর গাছের বৃদ্ধি হয় ধীর গতিতে । প্রথম ধাপে গাছ ছোট অবস্থায় ফলন কম থাকে । গাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে ফলনও চারগুন বৃদ্ধি পায় । ‘ একই এলাকার কৃষক আসাদ মিয়া জানান , মরিচ একটি লাভজনক ফসল । অল্প খরচে বেশি লাভ পাওয়া যায় । বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন । তিনি আরো বলেন , এই মরিচ যেমন ঝাল তেমন একটা ভালো স্বাদ রয়েছে । খাওয়ার সময় মনে হবে বোম্বাই মরিচ খাচ্ছেন । তিনি এবছর মরিচ বিক্রি করে খরচের চেয়ে ১০ গুন বেশি লাভবান হবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি ।।




















