চুয়াডাঙ্গা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গায় জুলাই শহীদ দিবস উদযাপন

Padma Sangbad
১৪

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা৷।
বষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত হয়েছে| দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন| পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ডিসি সাহিত্য মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়|
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচির শুরুতে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের নেতৃত্বে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন|
এরপর পর্যায়ক্রমে জেলার সরকারি ও ¯^ায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ¯ে^চ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন| এ সময় শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়|
পরে সকাল সাড়ে ১০টায় ডিসি সাহিত্য মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়| এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার| অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কালেক্টরেট মসজিদের পেশ ইমাম কবীর আহমেদ এবং গীতা পাঠ করেন বড়বাজার দুর্গা মন্দিরের পুরোহিত শ্রী প্রহ্লাদ চক্রবর্তী| চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মুন্সী আবু সাঈফের সঞ্চালনায় ¯^াগত বক্তব্য দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র|
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, জুলাই মানেই আবু সাঈদ, জুলাই মানেই মুগ্ধ| অন্যায়, অপশাসন ও ˆবষম্যের বিরুদ্ধে মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাইয়ের আন্দোলন| অতীতের বর্বরতার পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে| ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই আন্দোলন উভয়ই দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়| মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাইয়ের যোদ্ধারা সবাই দেশের গর্ব| কাউকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়| জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ|
দুর্নীতি, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, চেতনার মূল ভিত্তি হওয়া উচিত বাংলাদেশ| মতপ্রকাশের ¯^াধীনতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা ও ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিলে তা সংশোধনের সুযোগ ˆতরি হয়| চুয়াডাঙ্গাকে দেশের অন্যতম অগ্রসর জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি|
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, জুলাই আন্দোলন একদিনে সৃষ্টি হয়নি; দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও ˆবষম্যের প্রেক্ষাপটে এটি গণআন্দোলনে রূপ নেয়| ১৬ জুলাই আবু সাঈদ, মো. ওয়াসিম আহমেদসহ ছয়জনের শহীদ হওয়ার ঘটনায় আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায় এবং গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়| জুলাইয়ের যোদ্ধারা রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন| সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে আগ্রহী জুলাই যোদ্ধাদের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন|
সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ, আহত, গুম ও নির্যাতনের শিকার সবাই জাতির শ্রদ্ধার পাত্র| জুলাই অভ্যুত্থানের আকাংক্ষা বাস্তবায়নে প্রশাসন, সরকার ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে| ঘুষ, দুর্নীতি, ˆবষম্য, বঞ্চনা ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ থেকেই এই গণঅভ্যুত্থানের জন্ম| এসব সমস্যার কারণ চিহ্নিত করে তা দূর করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন| সরকার এ লক্ষ্যে জনগণের পাশে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন|
আলোচনা সভায় আরোও বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার ˆমত্র, সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবেছ উদ্দিন, জুলাই শহীদ শুভর বাবা আবু সাইদ, শহীদ মাসুদের সহধর্মিণী সাফা, পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, চুয়াডাঙ্গা ˆবষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক তানভির রহমান অনিক, সদস্য সচিব রনি বিশ্বাস, জুলাই যোদ্ধা হাসনা জাহান খুশবু ও সিয়াম হোসেন মুগ্ধ প্রমুখ|
অনুষ্ঠান শেষে চুয়াডাঙ্গার দুই শহীদ পরিবারের হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা করে শুভেচ্ছা সম্মানী প্রদান করা হয়| এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিনহাজ উল ইসলাম, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারী কমিশনার ফাহাদ চৌধুরী, মির্জা শহিদুল, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিনুর ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক দীপক কুমার সাহা, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী, ˆবষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা|

আপডেট : ০১:১১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গায় জুলাই শহীদ দিবস উদযাপন

আপডেট : ০১:১১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
১৪

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা৷।
বষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত হয়েছে| দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন| পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ডিসি সাহিত্য মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়|
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচির শুরুতে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের নেতৃত্বে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন|
এরপর পর্যায়ক্রমে জেলার সরকারি ও ¯^ায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ¯ে^চ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন| এ সময় শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়|
পরে সকাল সাড়ে ১০টায় ডিসি সাহিত্য মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়| এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার| অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কালেক্টরেট মসজিদের পেশ ইমাম কবীর আহমেদ এবং গীতা পাঠ করেন বড়বাজার দুর্গা মন্দিরের পুরোহিত শ্রী প্রহ্লাদ চক্রবর্তী| চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মুন্সী আবু সাঈফের সঞ্চালনায় ¯^াগত বক্তব্য দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র|
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, জুলাই মানেই আবু সাঈদ, জুলাই মানেই মুগ্ধ| অন্যায়, অপশাসন ও ˆবষম্যের বিরুদ্ধে মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাইয়ের আন্দোলন| অতীতের বর্বরতার পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে| ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই আন্দোলন উভয়ই দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়| মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাইয়ের যোদ্ধারা সবাই দেশের গর্ব| কাউকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়| জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ|
দুর্নীতি, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, চেতনার মূল ভিত্তি হওয়া উচিত বাংলাদেশ| মতপ্রকাশের ¯^াধীনতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা ও ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিলে তা সংশোধনের সুযোগ ˆতরি হয়| চুয়াডাঙ্গাকে দেশের অন্যতম অগ্রসর জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি|
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, জুলাই আন্দোলন একদিনে সৃষ্টি হয়নি; দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও ˆবষম্যের প্রেক্ষাপটে এটি গণআন্দোলনে রূপ নেয়| ১৬ জুলাই আবু সাঈদ, মো. ওয়াসিম আহমেদসহ ছয়জনের শহীদ হওয়ার ঘটনায় আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায় এবং গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়| জুলাইয়ের যোদ্ধারা রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন| সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে আগ্রহী জুলাই যোদ্ধাদের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন|
সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ, আহত, গুম ও নির্যাতনের শিকার সবাই জাতির শ্রদ্ধার পাত্র| জুলাই অভ্যুত্থানের আকাংক্ষা বাস্তবায়নে প্রশাসন, সরকার ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে| ঘুষ, দুর্নীতি, ˆবষম্য, বঞ্চনা ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ থেকেই এই গণঅভ্যুত্থানের জন্ম| এসব সমস্যার কারণ চিহ্নিত করে তা দূর করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন| সরকার এ লক্ষ্যে জনগণের পাশে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন|
আলোচনা সভায় আরোও বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার ˆমত্র, সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবেছ উদ্দিন, জুলাই শহীদ শুভর বাবা আবু সাইদ, শহীদ মাসুদের সহধর্মিণী সাফা, পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, চুয়াডাঙ্গা ˆবষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক তানভির রহমান অনিক, সদস্য সচিব রনি বিশ্বাস, জুলাই যোদ্ধা হাসনা জাহান খুশবু ও সিয়াম হোসেন মুগ্ধ প্রমুখ|
অনুষ্ঠান শেষে চুয়াডাঙ্গার দুই শহীদ পরিবারের হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা করে শুভেচ্ছা সম্মানী প্রদান করা হয়| এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিনহাজ উল ইসলাম, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারী কমিশনার ফাহাদ চৌধুরী, মির্জা শহিদুল, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিনুর ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক দীপক কুমার সাহা, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী, ˆবষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা|