চুয়াডাঙ্গা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহান মে দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা: ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আহ্বান

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["default"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"addons":1,"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

৬৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস তথা মহান মে দিবস উপলক্ষে এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— “সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত”। এই প্রতিপাদ্যের আলোকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬।
এই উপলক্ষে দেশের সকল শ্রমজীবী, কর্মজীবী এবং দেশে-বিদেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। যারা কঠোর পরিশ্রম, ঘাম ও ত্যাগের মাধ্যমে নিজের পরিবার, সমাজ এবং দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন, তাদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়েছে।
১৮৮৬ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর হে মার্কেটে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে যারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের প্রতি জানানো হয়েছে গভীর শ্রদ্ধা। একই সঙ্গে আজ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শ্রমিক অধিকারের সংগ্রামে নিহত ও আহত সকল শ্রমজীবী মানুষের আত্মত্যাগ স্মরণ করা হয়েছে।
বক্তব্যে বলা হয়, শ্রমিকরাই একটি দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। তাদের শ্রমেই গড়ে ওঠে শিল্পকারখানা, কৃষি, অবকাঠামো এবং অর্থনীতির ভিত। তাই শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।
আরও বলা হয়, শ্রমবান্ধব নীতি গ্রহণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী শ্রমিকদের ভূমিকাও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছেন।
পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয়, এ খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, বোনাস, স্বাস্থ্যসেবা, সন্তানদের শিক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় রেখে শ্রমিক অধিকার রক্ষা, নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা এবং প্রবাসী শ্রমিকদের আর্থিক সুরক্ষায় নানা উদ্যোগ গ্রহণের কথাও তুলে ধরা হয়।
বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলা হয়, শ্রমিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা গেলে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
সবশেষে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করা হয়।

আপডেট : ১২:০৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

মহান মে দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা: ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আহ্বান

আপডেট : ১২:০৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
৬৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস তথা মহান মে দিবস উপলক্ষে এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— “সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত”। এই প্রতিপাদ্যের আলোকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬।
এই উপলক্ষে দেশের সকল শ্রমজীবী, কর্মজীবী এবং দেশে-বিদেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। যারা কঠোর পরিশ্রম, ঘাম ও ত্যাগের মাধ্যমে নিজের পরিবার, সমাজ এবং দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন, তাদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়েছে।
১৮৮৬ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর হে মার্কেটে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে যারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের প্রতি জানানো হয়েছে গভীর শ্রদ্ধা। একই সঙ্গে আজ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শ্রমিক অধিকারের সংগ্রামে নিহত ও আহত সকল শ্রমজীবী মানুষের আত্মত্যাগ স্মরণ করা হয়েছে।
বক্তব্যে বলা হয়, শ্রমিকরাই একটি দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। তাদের শ্রমেই গড়ে ওঠে শিল্পকারখানা, কৃষি, অবকাঠামো এবং অর্থনীতির ভিত। তাই শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।
আরও বলা হয়, শ্রমবান্ধব নীতি গ্রহণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী শ্রমিকদের ভূমিকাও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছেন।
পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয়, এ খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, বোনাস, স্বাস্থ্যসেবা, সন্তানদের শিক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় রেখে শ্রমিক অধিকার রক্ষা, নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা এবং প্রবাসী শ্রমিকদের আর্থিক সুরক্ষায় নানা উদ্যোগ গ্রহণের কথাও তুলে ধরা হয়।
বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলা হয়, শ্রমিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা গেলে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
সবশেষে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করা হয়।