চুয়াডাঙ্গা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেন্টমার্টিনে ১ ডিসেম্বর থেকে জাহাজ চলাচল শুরু, আছে রাতযাপনের সুবিধা

Padma Sangbad
৮৬

অনলাইন ডেস্ক।।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নীলজলের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল। একই সঙ্গে চালু হচ্ছে রাতযাপনের সুযোগ, যা বন্ধ ছিল গত এক মাস ধরে। তবে পরিবেশ রক্ষায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণের অনুমতি পাবেন।

কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টায় পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দেবে। পরদিন দুপুর ৩টায় ফেরত আসবে কক্সবাজারে। ১ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা দুই মাস সাতটি জাহাজ চলাচলের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার শহর থেকে সেন্টমার্টিনের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। যেতে সময় লাগে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা। জাহাজগুলো হলো- এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বারো আউলিয়া, এমভি বে ক্রুজ, এমভি কাজল, কেয়ারী সিন্দাবাদ, কেয়ারী ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন, আটলান্টিক ক্রুজ।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন পর্যটনের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও রাতযাপনের অনুমতি না থাকায় নভেম্বর মাসে একজন পর্যটকও দ্বীপে যাননি।

‘সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’-এর সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম জানান, রাতযাপনের সুযোগ না থাকায় নভেম্বর মাসে পর্যটকরা ভ্রমণে আগ্রহ দেখাননি। তাই জাহাজ চলাচলও বন্ধ ছিল। তবে ডিসেম্বর থেকে রাতযাপনের সুবিধা থাকায় পর্যটকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিআইডব্লিউটিএ এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান সেন্টমার্টিনে যেতে পারবে না। পর্যটকদের অবশ্যই বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত অনলাইন পোর্টাল থেকে টিকিট কিনতে হবে। প্রতিটি টিকিটে থাকবে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড—কিউআর কোড ছাড়া টিকিটকে অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহবুব পাশা বলেন, দুই হাজারের বেশি পর্যটককে সেন্টমার্টিনে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এজন্য নুনিয়ারছড়া ও সেন্টমার্টিন জেটিঘাটে কঠোর তল্লাশির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আপডেট : ১২:৪৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

সেন্টমার্টিনে ১ ডিসেম্বর থেকে জাহাজ চলাচল শুরু, আছে রাতযাপনের সুবিধা

আপডেট : ১২:৪৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
৮৬

অনলাইন ডেস্ক।।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নীলজলের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল। একই সঙ্গে চালু হচ্ছে রাতযাপনের সুযোগ, যা বন্ধ ছিল গত এক মাস ধরে। তবে পরিবেশ রক্ষায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণের অনুমতি পাবেন।

কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টায় পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দেবে। পরদিন দুপুর ৩টায় ফেরত আসবে কক্সবাজারে। ১ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা দুই মাস সাতটি জাহাজ চলাচলের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার শহর থেকে সেন্টমার্টিনের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। যেতে সময় লাগে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা। জাহাজগুলো হলো- এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বারো আউলিয়া, এমভি বে ক্রুজ, এমভি কাজল, কেয়ারী সিন্দাবাদ, কেয়ারী ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন, আটলান্টিক ক্রুজ।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন পর্যটনের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও রাতযাপনের অনুমতি না থাকায় নভেম্বর মাসে একজন পর্যটকও দ্বীপে যাননি।

‘সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’-এর সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম জানান, রাতযাপনের সুযোগ না থাকায় নভেম্বর মাসে পর্যটকরা ভ্রমণে আগ্রহ দেখাননি। তাই জাহাজ চলাচলও বন্ধ ছিল। তবে ডিসেম্বর থেকে রাতযাপনের সুবিধা থাকায় পর্যটকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিআইডব্লিউটিএ এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান সেন্টমার্টিনে যেতে পারবে না। পর্যটকদের অবশ্যই বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত অনলাইন পোর্টাল থেকে টিকিট কিনতে হবে। প্রতিটি টিকিটে থাকবে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড—কিউআর কোড ছাড়া টিকিটকে অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহবুব পাশা বলেন, দুই হাজারের বেশি পর্যটককে সেন্টমার্টিনে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এজন্য নুনিয়ারছড়া ও সেন্টমার্টিন জেটিঘাটে কঠোর তল্লাশির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।