চুয়াডাঙ্গা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮ বছরেও চালু হয়নি শ্রীনগরের ট্রমা সেন্টার, উপকৃত হতো এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলাচল করা লাখো মানুষ

Padma Sangbad
৪০৯

মুন্সিগঞ্জ সংবাদদাতা।।
ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘরে ২০১৮ সালে ২০ শয্যার একটি ট্রমা সেন্টার নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের আট বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি হাসপাতালটি।

২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা ভবনটি বর্তমানে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভবনের দেয়ালের আস্তর খসে পড়েছে, মেঝেতে শ্যাওলা জমেছে, লোহার কাঠামোয় মরিচা ধরেছে এবং চারপাশ ঝোপঝাড়ে ভরে গেছে। ইতোমধ্যে চুরি হয়ে গেছে বৈদ্যুতিক ও স্যানিটারি সরঞ্জাম। ভাঙচুর করা হয়েছে জানালার কাঁচও। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিত্যক্ত এই স্থাপনাটি এখন মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে।

জানা যায়, ২০০৪ সাল থেকে সরকারি উদ্যোগে সারাদেশে এ ধরনের ২১টি ট্রমা সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য ১৪ জন চিকিৎসক ও ১০ জন নার্সসহ ন্যূনতম ৩৪টি পদ বরাদ্দ থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো নিয়োগ হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামও সরবরাহ করা হয়নি।

মুন্সিগঞ্জ গণপূর্ত অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী বরুণ কুমার বিশ্বাস বলেন, বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকায় ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। ভবন সংস্কারে ৫৯ লাখ টাকা এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির জন্য ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হলেও মন্ত্রণালয় থেকে ৩৬ লাখ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কেন্দ্রটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে মুন্সিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার বলেন, ট্রমা সেন্টারটি চালুর বিষয়ে চেষ্টা চলছে।

আপডেট : ০১:৪০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

৮ বছরেও চালু হয়নি শ্রীনগরের ট্রমা সেন্টার, উপকৃত হতো এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলাচল করা লাখো মানুষ

আপডেট : ০১:৪০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
৪০৯

মুন্সিগঞ্জ সংবাদদাতা।।
ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘরে ২০১৮ সালে ২০ শয্যার একটি ট্রমা সেন্টার নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের আট বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি হাসপাতালটি।

২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা ভবনটি বর্তমানে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভবনের দেয়ালের আস্তর খসে পড়েছে, মেঝেতে শ্যাওলা জমেছে, লোহার কাঠামোয় মরিচা ধরেছে এবং চারপাশ ঝোপঝাড়ে ভরে গেছে। ইতোমধ্যে চুরি হয়ে গেছে বৈদ্যুতিক ও স্যানিটারি সরঞ্জাম। ভাঙচুর করা হয়েছে জানালার কাঁচও। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিত্যক্ত এই স্থাপনাটি এখন মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে।

জানা যায়, ২০০৪ সাল থেকে সরকারি উদ্যোগে সারাদেশে এ ধরনের ২১টি ট্রমা সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য ১৪ জন চিকিৎসক ও ১০ জন নার্সসহ ন্যূনতম ৩৪টি পদ বরাদ্দ থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো নিয়োগ হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামও সরবরাহ করা হয়নি।

মুন্সিগঞ্জ গণপূর্ত অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী বরুণ কুমার বিশ্বাস বলেন, বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকায় ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। ভবন সংস্কারে ৫৯ লাখ টাকা এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির জন্য ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হলেও মন্ত্রণালয় থেকে ৩৬ লাখ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কেন্দ্রটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে মুন্সিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার বলেন, ট্রমা সেন্টারটি চালুর বিষয়ে চেষ্টা চলছে।