চুয়াডাঙ্গা ১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার উখিয়া থানার ওসি সহ চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

Padma Sangbad

পদ্মা সংবাদ ডেস্ক:
কক্সবাজারের উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা আকতার, কনস্টেবল মোঃ সুমন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল ইসলাম ও এ.এস আই মোঃ শামীমের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ রিয়াদ সোলতানা নুরী (২২) নামের এক মহিলা মামলাটি দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাদি কক্সবাজারের একটি বেসরকারী কলেজের ছাত্রী বলে জানা গেছে।
তিনি নারী নির্যাতন আইনের ৯(১) তৎসহ দঃবিঃ আইনের ৩২৩/৩২৪/৩৪২/৩৭৯/৫০৬ ধারা মতে অভিযোগ আনেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই ট্রাইব্যুনালের পি.পি এড. একরামুল হুদা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ অাছে, কনস্টেবল সুমন এর সাথে দির্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিলো রিয়াদ সোলতানা নুরীর।
এ সবাদে বিয়ের কাবিনের কথা বলে গত ৭ই জুলাই বেলা দুইটার দিকে খুনিয়াপালং চেকপোস্ট সংলগ্ন সুমনের কক্ষে নিয়ে যায় নুরীকে। কাজি অাসার অপেক্ষার অজুহাতে কক্ষে বসিয়ে রেখে নুরীকে ধর্ষণ করেন সুমন। পরে চেকপোস্টের পাশে একটি দোকানে বসিয়ে রেখে জরুরী কাজের বাহানা দিয়ে পালিয়ে যায় কনস্টবল সুমন।
অবশেষে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বিষয়টি ফোনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জানান নুরী।
তার কথামতো থানায় গেলে অকাট্য ভাষায় গালমন্দ করে ও নুরীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেই ওসি। এরপর অভিযুক্ত অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় নুরীকে কক্ষে অাটকিয়ে রেখে ব্যাপক মারধোর ও নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ অানেন নির্যাতিত রিয়াদ সোলতানা নুরী।
রিয়াদ সোলতানা নুরী কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা মো: নুরুচ্ছবির মেয়ে বলে জানা গেছে।

আপডেট : ০৩:৪৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২০

কক্সবাজার উখিয়া থানার ওসি সহ চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

আপডেট : ০৩:৪৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২০

পদ্মা সংবাদ ডেস্ক:
কক্সবাজারের উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা আকতার, কনস্টেবল মোঃ সুমন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল ইসলাম ও এ.এস আই মোঃ শামীমের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ রিয়াদ সোলতানা নুরী (২২) নামের এক মহিলা মামলাটি দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাদি কক্সবাজারের একটি বেসরকারী কলেজের ছাত্রী বলে জানা গেছে।
তিনি নারী নির্যাতন আইনের ৯(১) তৎসহ দঃবিঃ আইনের ৩২৩/৩২৪/৩৪২/৩৭৯/৫০৬ ধারা মতে অভিযোগ আনেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই ট্রাইব্যুনালের পি.পি এড. একরামুল হুদা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ অাছে, কনস্টেবল সুমন এর সাথে দির্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিলো রিয়াদ সোলতানা নুরীর।
এ সবাদে বিয়ের কাবিনের কথা বলে গত ৭ই জুলাই বেলা দুইটার দিকে খুনিয়াপালং চেকপোস্ট সংলগ্ন সুমনের কক্ষে নিয়ে যায় নুরীকে। কাজি অাসার অপেক্ষার অজুহাতে কক্ষে বসিয়ে রেখে নুরীকে ধর্ষণ করেন সুমন। পরে চেকপোস্টের পাশে একটি দোকানে বসিয়ে রেখে জরুরী কাজের বাহানা দিয়ে পালিয়ে যায় কনস্টবল সুমন।
অবশেষে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বিষয়টি ফোনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জানান নুরী।
তার কথামতো থানায় গেলে অকাট্য ভাষায় গালমন্দ করে ও নুরীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেই ওসি। এরপর অভিযুক্ত অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় নুরীকে কক্ষে অাটকিয়ে রেখে ব্যাপক মারধোর ও নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ অানেন নির্যাতিত রিয়াদ সোলতানা নুরী।
রিয়াদ সোলতানা নুরী কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা মো: নুরুচ্ছবির মেয়ে বলে জানা গেছে।