চুয়াডাঙ্গা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনা হল্ট স্টেশনের যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ কোথায়?

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

১৮

দৈনিক পদ্মা সংবাদ।

দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পরও দর্শনা হল্ট স্টেশনের যাত্রীরা আজও পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত ও পরিপূর্ণ সেবা। রেল কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা, আন্তঃনগর ট্রেনের বগি নির্ধারণে অনিয়ম এবং মৌলিক সুবিধার অভাবে প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।
যাত্রীদের অভিযোগ, আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী ঘোষণা করা হলেও নির্ধারিতভাবে কোন বগি কোথায় থামবেসে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। ফলে ক, খ, গ, ঘ, ঙ বগির অবস্থান সম্পর্কে অনিশ্চয়তায় পড়ে যাত্রীরা শেষ মুহূর্তে দৌড়াদৌড়ি করতে বাধ্য হন। এতে বয়স্ক, নারী ও শিশু যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে চলমান তীব্র গরম পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে স্টেশনের অপ্রতুল সুবিধা। যাত্রীদের বসার নির্দিষ্ট স্থানে নেই পর্যাপ্ত ফ্যানের ব্যবস্থা। প্রচণ্ড গরমে অপেক্ষমাণ যাত্রীরা অসহনীয় কষ্ট সহ্য করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
রেল কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ না নিলেও স্থানীয় যুবসমাজ মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে নিজেদের উদ্যোগে তিনটি ফ্যান স্থাপন করে দিয়েছেন। তাদের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে জনগণ নিয়মিত কর (ট্যাক্স) দিচ্ছে, সেখানে মৌলিক সেবার দায়িত্ব কি শুধুই সাধারণ মানুষের?
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, “জনগণই সব শক্তির উৎস। দেশের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জনগণ কর দেয়। যদি প্রতিটি মৌলিক সেবার ভারও জনগণকেই নিতে হয়, তাহলে রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব কোথায়?
দর্শনা হল্ট স্টেশনের যাত্রীরা দ্রুত সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান চান। তাদের দাবি আন্তঃনগর ট্রেনের বগি নির্ধারণে শৃঙ্খলা আনা, যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত ফ্যান ও বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং স্টেশন সেবার মান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
এখন প্রশ্ন একটাই দর্শনা হল্ট স্টেশনের যাত্রীদের এই ভোগান্তির শেষ কোথায়?

আপডেট : ০১:০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

দর্শনা হল্ট স্টেশনের যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ কোথায়?

আপডেট : ০১:০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
১৮

দৈনিক পদ্মা সংবাদ।

দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পরও দর্শনা হল্ট স্টেশনের যাত্রীরা আজও পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত ও পরিপূর্ণ সেবা। রেল কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা, আন্তঃনগর ট্রেনের বগি নির্ধারণে অনিয়ম এবং মৌলিক সুবিধার অভাবে প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।
যাত্রীদের অভিযোগ, আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী ঘোষণা করা হলেও নির্ধারিতভাবে কোন বগি কোথায় থামবেসে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। ফলে ক, খ, গ, ঘ, ঙ বগির অবস্থান সম্পর্কে অনিশ্চয়তায় পড়ে যাত্রীরা শেষ মুহূর্তে দৌড়াদৌড়ি করতে বাধ্য হন। এতে বয়স্ক, নারী ও শিশু যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে চলমান তীব্র গরম পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে স্টেশনের অপ্রতুল সুবিধা। যাত্রীদের বসার নির্দিষ্ট স্থানে নেই পর্যাপ্ত ফ্যানের ব্যবস্থা। প্রচণ্ড গরমে অপেক্ষমাণ যাত্রীরা অসহনীয় কষ্ট সহ্য করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
রেল কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ না নিলেও স্থানীয় যুবসমাজ মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে নিজেদের উদ্যোগে তিনটি ফ্যান স্থাপন করে দিয়েছেন। তাদের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে জনগণ নিয়মিত কর (ট্যাক্স) দিচ্ছে, সেখানে মৌলিক সেবার দায়িত্ব কি শুধুই সাধারণ মানুষের?
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, “জনগণই সব শক্তির উৎস। দেশের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জনগণ কর দেয়। যদি প্রতিটি মৌলিক সেবার ভারও জনগণকেই নিতে হয়, তাহলে রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব কোথায়?
দর্শনা হল্ট স্টেশনের যাত্রীরা দ্রুত সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান চান। তাদের দাবি আন্তঃনগর ট্রেনের বগি নির্ধারণে শৃঙ্খলা আনা, যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত ফ্যান ও বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং স্টেশন সেবার মান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
এখন প্রশ্ন একটাই দর্শনা হল্ট স্টেশনের যাত্রীদের এই ভোগান্তির শেষ কোথায়?