আলমডাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের প্রস্তুতি, প্রশাসনের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর চরের মাঠে দুই পক্ষের সংঘর্ষের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ঢাল, তলোয়ার, লাঠি, সাংড়া ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের শত শত নারী-পুরুষ মাঠে জড়ো হলেও প্রশাসনের দ্রুত তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কেশবপুর চরের মাঠে চেঙ্গিস গ্রুপ ও সালাম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দেয়। স্থানীয়দের দাবি, দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
এর আগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের মধ্যে মীমাংসা হয়েছিল এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মিষ্টিমুখও করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উভয় পক্ষ পুনরায় সংঘর্ষে জড়ানোর উদ্দেশ্যে মাঠে উপস্থিত হয়।
এ সময় উভয় পক্ষের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নারীও লাঠি হাতে অবস্থান করতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ও ওসমানপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সংঘর্ষ শুরুর আগেই উভয় পক্ষ ধীরে ধীরে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাণী ইসরায়েল বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। আমাদের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উভয় পক্ষকেই শান্ত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
প্রকাশ্য দিবালোকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতিতে মাঠে জড়ো হওয়ার ঘটনাকে সাধারণ মানুষ উদ্বেগের চোখে দেখছেন। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত অস্ত্র উদ্ধার, জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এবং এলাকায় স্থায়ীভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।






















