চুয়াডাঙ্গা ১০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইএমএফ’র ঋণের ৬৮ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার পেল বাংলাদেশ

Padma Sangbad
৮৭

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দকৃত ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ প্যাকেজের দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার অনুমোদন করেছে। খুব শিগগির এই অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের আ্যাকাউন্টে যোগ হবে।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বহুপাক্ষিক ঋণদাতা সংস্থার বোর্ড সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে ঋণের আবেদন করে।
বাংলাদেশ ঋণ কর্মসূচির আওতায় সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে সংস্কার করতে সম্মত হয়।
ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার পাওয়ার আগে এবং পরে বাংলাদেশ তার আর্থিক খাত এবং এর নীতিগুলোর কাঠামোর সংস্কারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানো এবং বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি কমানো।
প্রথম কিস্তির তহবিল আসার পর এই সংস্কার কর্মসুচি অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ।
অক্টোবরে ঋণ চুক্তির প্রথম পর্যায়ে ছাড় প্রাপ্ত তহবিল ব্যবহার পর্যালোচনা করতে আইএমএফের একটি দল বাংলাদেশে আসে। সে সময়ে আইএমএফের সাথে একটি স্টাফ-লেভেল চুক্তিতে পৌঁছে বাংলাদেশ।
সিদ্ধান্তটি ঋণ চুক্তির দ্বিতীয় কিস্তির তহবিল ছাড়ের পথ প্রশস্ত করে।

আপডেট : ১০:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

আইএমএফ’র ঋণের ৬৮ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার পেল বাংলাদেশ

আপডেট : ১০:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩
৮৭

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দকৃত ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ প্যাকেজের দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার অনুমোদন করেছে। খুব শিগগির এই অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের আ্যাকাউন্টে যোগ হবে।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বহুপাক্ষিক ঋণদাতা সংস্থার বোর্ড সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে ঋণের আবেদন করে।
বাংলাদেশ ঋণ কর্মসূচির আওতায় সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে সংস্কার করতে সম্মত হয়।
ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার পাওয়ার আগে এবং পরে বাংলাদেশ তার আর্থিক খাত এবং এর নীতিগুলোর কাঠামোর সংস্কারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানো এবং বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি কমানো।
প্রথম কিস্তির তহবিল আসার পর এই সংস্কার কর্মসুচি অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ।
অক্টোবরে ঋণ চুক্তির প্রথম পর্যায়ে ছাড় প্রাপ্ত তহবিল ব্যবহার পর্যালোচনা করতে আইএমএফের একটি দল বাংলাদেশে আসে। সে সময়ে আইএমএফের সাথে একটি স্টাফ-লেভেল চুক্তিতে পৌঁছে বাংলাদেশ।
সিদ্ধান্তটি ঋণ চুক্তির দ্বিতীয় কিস্তির তহবিল ছাড়ের পথ প্রশস্ত করে।