চুয়াডাঙ্গা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটা সংস্কার আন্দোলনে পরাজিত অপশক্তির অনুপ্রবেশ ঘটেছে : চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ

Padma Sangbad
৮৭

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনে স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং ইস্যুভিত্তিক রাজনৈতিক আন্দোলনে ব্যর্থ ও পরাজিত অপশক্তির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। তারা এই আন্দোলনটিকে সরকার উৎখাতের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের নীলনক্শা বাস্তবায়ন করতে তৎপর হয়ে উঠেছে।
সরকারি চাকুরিতে কোটা সংস্কার দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামসহ সারাদেশব্যাপী তা-ব, নৈরাজ্য ও নাশকতার ঘটনায় আওয়ামী লীগসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও নিহত নিরীহ সাধারণ মানুষের রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে অনুষ্ঠিত গায়েবানা জানাজাপূর্বক অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।
তাঁরা বলেন, সরকারি চাকুরিতে কোটা সংস্কারের দাবিটি আদালতের বিচারাধীন বিষয়। বিচারের রায় ও পরামর্শ অনুযায়ী সরকার এ ব্যাপারে যৌক্তিক ও যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এর বাইরে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ অবশ্যই অসাংবিধানিক ও নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত। এই বাস্তবতাকে পরিহার করার কোনো বিধিসম্মত উপায় ও সুযোগ নেই। তারপরও লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, এই আন্দোলনকে ঘিরে কিছু বিপথগামী ছাত্র ও তাদের নেতারা প্রকাশ্যে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু এবং স্বাধীনতার সপক্ষের রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি লাগামহীন কটূক্তি করে চলেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা নিজেদেরকে রাজাকারের সন্তান হিসেবে দাবি করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় একাত্তরের পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মারা ৭৫-এর পর যেভাবে পাকিস্তানি এজেন্ডা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছিল এবারও তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চায়। তাই সময় এসেছে শিক্ষাঙ্গনসহ সমাজের সকল স্তরে ঘাপটি মেরে থাকা রাজাকার আলবদরদের প্রেতাত্মাদের সমূলে নিশ্চিহ্ন করা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রত্যেকটি পাড়ায়, মহল্লায় এবং লোকালয়ে ছাত্র, যুব, পেশাজীবী, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী শক্তিসহ দেশপ্রেমিক জনগণকে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে সমূলে নির্মূল করার জন্য সতর্ক অবস্থান নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান আতা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ খোরশেদ আলম সুজন প্রমুখ।

আপডেট : ০৯:২৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনে পরাজিত অপশক্তির অনুপ্রবেশ ঘটেছে : চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ

আপডেট : ০৯:২৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪
৮৭

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনে স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং ইস্যুভিত্তিক রাজনৈতিক আন্দোলনে ব্যর্থ ও পরাজিত অপশক্তির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। তারা এই আন্দোলনটিকে সরকার উৎখাতের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের নীলনক্শা বাস্তবায়ন করতে তৎপর হয়ে উঠেছে।
সরকারি চাকুরিতে কোটা সংস্কার দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামসহ সারাদেশব্যাপী তা-ব, নৈরাজ্য ও নাশকতার ঘটনায় আওয়ামী লীগসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও নিহত নিরীহ সাধারণ মানুষের রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে অনুষ্ঠিত গায়েবানা জানাজাপূর্বক অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।
তাঁরা বলেন, সরকারি চাকুরিতে কোটা সংস্কারের দাবিটি আদালতের বিচারাধীন বিষয়। বিচারের রায় ও পরামর্শ অনুযায়ী সরকার এ ব্যাপারে যৌক্তিক ও যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এর বাইরে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ অবশ্যই অসাংবিধানিক ও নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত। এই বাস্তবতাকে পরিহার করার কোনো বিধিসম্মত উপায় ও সুযোগ নেই। তারপরও লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, এই আন্দোলনকে ঘিরে কিছু বিপথগামী ছাত্র ও তাদের নেতারা প্রকাশ্যে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু এবং স্বাধীনতার সপক্ষের রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি লাগামহীন কটূক্তি করে চলেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা নিজেদেরকে রাজাকারের সন্তান হিসেবে দাবি করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় একাত্তরের পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মারা ৭৫-এর পর যেভাবে পাকিস্তানি এজেন্ডা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছিল এবারও তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চায়। তাই সময় এসেছে শিক্ষাঙ্গনসহ সমাজের সকল স্তরে ঘাপটি মেরে থাকা রাজাকার আলবদরদের প্রেতাত্মাদের সমূলে নিশ্চিহ্ন করা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রত্যেকটি পাড়ায়, মহল্লায় এবং লোকালয়ে ছাত্র, যুব, পেশাজীবী, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী শক্তিসহ দেশপ্রেমিক জনগণকে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে সমূলে নির্মূল করার জন্য সতর্ক অবস্থান নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান আতা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ খোরশেদ আলম সুজন প্রমুখ।