চুয়াডাঙ্গা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজের মন্ত্রণালয় নিয়েই অসহায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

Padma Sangbad
১৬২

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার তার নিজের মন্ত্রণালয়ের সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রকাশ্যে অসহায়ত্ব জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুরে স্থানীয় জেলে সম্প্রদায় ও বাওড় মৎস্যজীবীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, “আমাদের মন্ত্রণালয় জেলেদের জীবন-জীবিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেও হাওড়-বাওড়ের নিয়ন্ত্রণ ভূমি মন্ত্রণালয়ের হাতে। এতে আমরা কার্যত অসহায়।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমি খুব অবাক হই—আমার নিজের মন্ত্রণালয়ের এমন অসহায় অবস্থা দেখে। হাওড়-বাওড় আমাদের কাজের মূল জায়গা, অথচ এর ইজারা দেয় ভূমি মন্ত্রণালয়। তখন আমাদের হাতজোড় করে বলতে হয়—দয়া করে এটা আমাদের দিন। এটা শুধু অবিচার নয়, এটা এক গভীর প্রশাসনিক অসঙ্গতি।”

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ‘জাল যার, জলা তার’ নীতিকে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আমরা প্রকৃত মৎস্যজীবীদের হাওড়-বাওড়ের অধিকার ফিরিয়ে দিতে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সব দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করব।” তিনি বিশ্বাস করেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই রয়েছে সমাজ পরিবর্তনের শক্তি। “এই প্রজন্ম ফ্যাসিবাদ প্রতিহত করেছে, তারাই সমাজের বৈষম্য দূর করবে,”—বলেন উপদেষ্টা।

তিনি বাওড়পাড়ের বাসিন্দাদের প্রকৃত মালিকানা ফিরিয়ে দিয়ে তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের আহ্বান জানান এবং বলেন, “এই সংগ্রামে আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক সব পক্ষের ঐক্য দরকার।”

মতবিনিময় সভার আগে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার উপজেলার বলুহর বাওড় পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল, মজুর সমিতির সভাপতি ফজলুর রহমান, মৎস্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ মৎস্য কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

আপডেট : ০২:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

নিজের মন্ত্রণালয় নিয়েই অসহায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আপডেট : ০২:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
১৬২

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার তার নিজের মন্ত্রণালয়ের সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রকাশ্যে অসহায়ত্ব জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুরে স্থানীয় জেলে সম্প্রদায় ও বাওড় মৎস্যজীবীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, “আমাদের মন্ত্রণালয় জেলেদের জীবন-জীবিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেও হাওড়-বাওড়ের নিয়ন্ত্রণ ভূমি মন্ত্রণালয়ের হাতে। এতে আমরা কার্যত অসহায়।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমি খুব অবাক হই—আমার নিজের মন্ত্রণালয়ের এমন অসহায় অবস্থা দেখে। হাওড়-বাওড় আমাদের কাজের মূল জায়গা, অথচ এর ইজারা দেয় ভূমি মন্ত্রণালয়। তখন আমাদের হাতজোড় করে বলতে হয়—দয়া করে এটা আমাদের দিন। এটা শুধু অবিচার নয়, এটা এক গভীর প্রশাসনিক অসঙ্গতি।”

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ‘জাল যার, জলা তার’ নীতিকে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আমরা প্রকৃত মৎস্যজীবীদের হাওড়-বাওড়ের অধিকার ফিরিয়ে দিতে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সব দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করব।” তিনি বিশ্বাস করেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই রয়েছে সমাজ পরিবর্তনের শক্তি। “এই প্রজন্ম ফ্যাসিবাদ প্রতিহত করেছে, তারাই সমাজের বৈষম্য দূর করবে,”—বলেন উপদেষ্টা।

তিনি বাওড়পাড়ের বাসিন্দাদের প্রকৃত মালিকানা ফিরিয়ে দিয়ে তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের আহ্বান জানান এবং বলেন, “এই সংগ্রামে আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক সব পক্ষের ঐক্য দরকার।”

মতবিনিময় সভার আগে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার উপজেলার বলুহর বাওড় পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল, মজুর সমিতির সভাপতি ফজলুর রহমান, মৎস্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ মৎস্য কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।