চুয়াডাঙ্গা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাড়ে ১২ হাজার টাকায় শ্রমিক কীভাবে খরচ চালাবেন, প্রশ্ন সাদিক কায়েমের

Padma Sangbad
১০

অনলাইন ডেস্ক।।

দেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকায় তারা কীভাবে নিজের ও পরিবারের খরচ চালাবেন, এ প্রশ্ন তুলেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।

আজ সোমবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন ডাসকু ভিপি। নিচে তার পোস্টটি তুলে ধরা হলো:

বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি মাত্র ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অথচ আমাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় দুই গুণ বেশি ন্যূনতম মজুরি দিয়েও গার্মেন্টস রপ্তানিতে এগিয়ে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষিতে সরকারের এই ব্যর্থতার দায়ভার কেন শ্রমিকদের নিতে হবে? দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দেশে মাত্র ১২ হাজার ৫০০ টাকায় একজন শ্রমিক কীভাবে নিজের ও পরিবারের খরচ চালাবেন?

শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা পোশাকশিল্পের ভবিষ্যতের স্বার্থেই জরুরি। অথচ সরকার শুরু থেকেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে আগেই সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর শ্রমিকদের ওপর পুলিশি হামলা, মারধর ও নির্বিচারে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে। সরকারের এই ব্যর্থতাই পতিত আওয়ামী লীগকে আন্দোলনে সুযোগ নেওয়ার পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছে।

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, মধ্যবিত্ত সবার জন্য ইনসাফের বাংলাদেশ। কোনো টালবাহানা না করে মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসে অতিদ্রুত সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। নিজদের ব্যর্থতা ঢাকতে উসকানির অজুহাত দিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার উপেক্ষা করা যাবে না। শ্রমিক বাঁচলেই বাঁচবে দেশ।



আপডেট : ১০:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

সাড়ে ১২ হাজার টাকায় শ্রমিক কীভাবে খরচ চালাবেন, প্রশ্ন সাদিক কায়েমের

আপডেট : ১০:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
১০

অনলাইন ডেস্ক।।

দেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকায় তারা কীভাবে নিজের ও পরিবারের খরচ চালাবেন, এ প্রশ্ন তুলেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।

আজ সোমবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন ডাসকু ভিপি। নিচে তার পোস্টটি তুলে ধরা হলো:

বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি মাত্র ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অথচ আমাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় দুই গুণ বেশি ন্যূনতম মজুরি দিয়েও গার্মেন্টস রপ্তানিতে এগিয়ে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষিতে সরকারের এই ব্যর্থতার দায়ভার কেন শ্রমিকদের নিতে হবে? দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দেশে মাত্র ১২ হাজার ৫০০ টাকায় একজন শ্রমিক কীভাবে নিজের ও পরিবারের খরচ চালাবেন?

শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা পোশাকশিল্পের ভবিষ্যতের স্বার্থেই জরুরি। অথচ সরকার শুরু থেকেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে আগেই সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর শ্রমিকদের ওপর পুলিশি হামলা, মারধর ও নির্বিচারে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে। সরকারের এই ব্যর্থতাই পতিত আওয়ামী লীগকে আন্দোলনে সুযোগ নেওয়ার পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছে।

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, মধ্যবিত্ত সবার জন্য ইনসাফের বাংলাদেশ। কোনো টালবাহানা না করে মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসে অতিদ্রুত সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। নিজদের ব্যর্থতা ঢাকতে উসকানির অজুহাত দিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার উপেক্ষা করা যাবে না। শ্রমিক বাঁচলেই বাঁচবে দেশ।