চুয়াডাঙ্গা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকায় আবদুল হামিদকে আটক করা হয়নি

Padma Sangbad
৮৫

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকায় তাকে আটক করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (৯ জুন) সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যেহেতু তার বিরুদ্ধে কোনো ওয়ারেন্ট নেই, তাই গ্রেপ্তারের প্রশ্নই আসে না। তবে যদি কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এর আগে রোববার দিবাগত রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে চিকিৎসা শেষে বাংলাদেশে ফেরেন আবদুল হামিদ। ব্যাংকক থেকে ঢাকায় অবতরণের পর রাত দেড়টার দিকে তিনি ইমিগ্রেশনের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন এবং রাত তিনটার দিকে নিজ জেলা কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন।

আরও পড়ুন…

চারদিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যে যাচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচে থাকবে কড়া নিরাপত্তা

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, তার দেশে ফেরার সময় কোনো ধরনের আইনগত জটিলতা বা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়নি।

গত ৮ মে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে রওনা দেন আবদুল হামিদ। তার সঙ্গে ছিলেন ছেলে রিয়াদ আহমেদ এবং শ্যালক ড. এ এম নওশাদ। তারা থাই এয়ারওয়েজের টিজি ৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানান ধরনের আলোচনা ও গুজব ছড়ালেও সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

আপডেট : ১০:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকায় আবদুল হামিদকে আটক করা হয়নি

আপডেট : ১০:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫
৮৫

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকায় তাকে আটক করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (৯ জুন) সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যেহেতু তার বিরুদ্ধে কোনো ওয়ারেন্ট নেই, তাই গ্রেপ্তারের প্রশ্নই আসে না। তবে যদি কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এর আগে রোববার দিবাগত রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে চিকিৎসা শেষে বাংলাদেশে ফেরেন আবদুল হামিদ। ব্যাংকক থেকে ঢাকায় অবতরণের পর রাত দেড়টার দিকে তিনি ইমিগ্রেশনের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন এবং রাত তিনটার দিকে নিজ জেলা কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন।

আরও পড়ুন…

চারদিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যে যাচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচে থাকবে কড়া নিরাপত্তা

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, তার দেশে ফেরার সময় কোনো ধরনের আইনগত জটিলতা বা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়নি।

গত ৮ মে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে রওনা দেন আবদুল হামিদ। তার সঙ্গে ছিলেন ছেলে রিয়াদ আহমেদ এবং শ্যালক ড. এ এম নওশাদ। তারা থাই এয়ারওয়েজের টিজি ৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানান ধরনের আলোচনা ও গুজব ছড়ালেও সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।